৪ঠা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৫:৩৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৬, ২০১৯
নানা জল্পনা-কল্পনা অবসান ঘটিয়ে অবশেষে র্যাবের হাতে আটক হয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ক্যাসিনো ব্যাবসার মুল হোতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট।
শনিবার দিনগত রাত ১২টার দিকে কুমিল্লা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আজ রোববার তাকে আদালতে তোলা হবে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
র্যাবের একটি সূত্র জানায়, যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট চলমান ক্যাসিনো-জুয়াবিরোধী অভিযানের শুরু থেকে তাদের নজরদারির মধ্যেই ছিলেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও চালিয়েছিলেন। তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতার কারণে তিনি দেশ ছাড়তে পারেননি।
কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জশ্রীপুর চৌধুরী বাড়ি থেকে রাতে সম্রাটকে গ্রেফতার করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও গণমাধ্যমকে ব্রিফিং করা হয় নি।
রোববার সকাল পৌনে ৯টার দিকে চৌদ্দগ্রাম থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল্লাহ আল মাহফুজের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমাদের নলেজে নাই।
এ ব্যাপারে র্যাব -১১ কোম্পানি কমান্ডার এএসপি মোহাম্মদ মহিতুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে কুমিল্লা র্যাব কিছুই জানে না। হয়তোবা ঢাকার র্যাব তাকে গ্রেফতার করতে পারে। আবার নাও করতে পারে।
প্রসঙ্গত: আলোচিত যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ঢাকার জুয়াড়িদের কাছে ‘ক্যাসিনো সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত। জুয়া খেলাই তার পেশা ও নেশা। প্রতিমাসে ঢাকার বাইরেও যান জুয়া খেলতে। বিশেষ করে টাকার বস্তা নিয়ে সিঙ্গাপুরে যান তিনি। সেখানে জুয়ার পাশাপাশি নারীসঙ্গও উপভোগ করেন।
সম্প্রতি রাজধানীতে ক্লাব ব্যবসার আড়ালে অবৈধ ক্যাসিনো পরিচালনার অভিযোগে র্যাবের হাতে ধরা পড়েন সম্রাটের ডান হাত হিসেবে পরিচিত যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া।
এরপর ধরা পড়েন রাজধানীর টেন্ডার কিং আরেক যুবলীগ নেতা জিকে শামীম। এ দুজনই অবৈধ আয়ের ভাগ দিতেন সম্রাটকে। তারা গ্রেফতার হওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে সম্রাটের অবৈধ ক্যাসিনো সাম্রাজ্য নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন। প্রকাশ্যে চলে আসে সুন্দর অবয়বের আড়ালে সম্রাটের কুৎসিত জগত। এতে করে বেকায়দায় পড়েন সম্রাট।
এর পর গা ঢাকা দেন যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। আড়ালে থেকেই গ্রেফতার থেকে বাঁচতে নানা তৎপরতা শুরু করেন। ফন্দিফিকির শুরু করেন কীভাবে নিজেকে বাঁচানো যায়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে সরকারের উচ্চ মহলের ‘গ্রিন সিগন্যালের’ অপেক্ষায় রয়েছিল।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D