৪ঠা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:২৬ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯
আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দলটি। মানববন্ধনে বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তিতে একমাত্র বাধা। তাহলে সরকারের পতনই আগে ঘটাবো। আইনি প্রক্রিয়ায় তাঁকে মুক্ত করা সম্ভবপর হচ্ছে না। আমরা এই আইনি লড়াই চালিয়ে যাবো। তাঁকে মুক্ত করতে আমাদের এখন ঐক্যবদ্ধভাবে সারা বাংলাদেশে আন্দোলনের পথ বেছে নিতে হবে, কর্মসূচি দিতে হবে। একমাত্র রাজপথেই আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি অর্জন করতে পারবো। সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সামনে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশ এক ভয়াবহ সংকটে রয়েছে। দেশে একদলীয় শাসন ভর করেছে। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। বিচারব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সবমিলিয়ে বিপর্যয়ের মুখে মাতৃভূমি। এই সংকট থেকে উত্তরণে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একটি বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য দরকার। গতকাল বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসকাবের সামনে বিএনপি আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিশ্চিত ও মুক্তি দাবিতে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। জাতীয় প্রেসকাবের সামনের ফুটপাতে দাঁড়িয়ে বিএনপি মহাসচিবের নেতৃত্বে হাজার হাজার নেতাকর্মী মানববন্ধনে অংশ নেয়। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি হয়। এ সময় জনতার ঢল নামে। গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে বেগম খালেদা জিয়া কারাবাসের পর তাঁর মুক্তির দাবিতে কয়েকবার জাতীয় প্রেসকাবের সামনে মানববন্ধন করেছে বিএনপি। সর্বশেষটি হয়েছিলো গত ৬ মার্চ। জাতীয় প্রেসকাবের সামনে মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজের কারণে রাস্তা সংকুচিত হওয়ায় এমনিতে যানচলাচলের বাধার মধ্যে মানববন্ধনের কর্মসূচিতে ব্যাপক নেতাকর্মীর উপস্থিতি পল্টনের মোড় থেকে সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত সড়কের একপাশে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। জাতীয় প্রেসকাবের সামনের ফুটপাত ও রাস্তায় দাঁড়িয়ে মহানগর বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, মহিলা দল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সেøøাগান দেয়। মানববন্ধনে নেতাকর্মীরা মুক্তি মুক্তি মুক্ত চাই- খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, খালেদা জিয়ার কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে, জেলের তালা ভাঙবো খালেদা জিয়াকে আনবোসহ বিভিন্ন সেøাগানে প্রেসকাবের প্রাঙ্গণ মুখরিত করে তোলেন নেতাকর্মীরা।
এদিকে কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সকাল ১০টা থেকে জাতীয় প্রেসকাবের সামনে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে সমবেত হতে দেখা গেছে। মানববন্ধন উপলক্ষে সকাল থেকেই জাতীয় প্রেসকাব এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।
বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া খুবই অসুস্থ। তাঁকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। অবিলম্বে তাঁকে মুক্তি দিতে হবে। জনগণকে আহবান জানাচ্ছি আমরা আসুন- নিজের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য, আপনাদের ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য, আপনাদের কথা বলার অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য আজকে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই যে সরকার যারা আমাদের সমস্ত অধিকারকে কেড়ে নিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। আমরা আজকে ঐক্যবদ্ধ হই দলমত নির্বিশেষে, সকল দল মিলে আমাদের স্বার্থরক্ষার জন্য, আমাদের অধিকার ফিরে পাবার জন্য আমরা আজকে সবাই ঐক্যবদ্ধ হই, স্বাধীনতা চেতনাকে সমুন্নত রাখতে আজকে ঐক্যবদ্ধ হই। সামনের দিনে আরো বৃহত্তর আন্দোলন তৈরি করে এই দানব সরকারকে পরাজিত করতে সক্ষম হবো ইনশাল্লাহ।
তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ, তাঁর ডায়াবেটিস অত্যন্ত বেড়ে গেছে, তাঁর আর্থারাইটিস বেড়ে গেছে, তাঁর ঘাড়ের ব্যথা বেড়ে গেছে। তিনি সাহায্য ছাড়া হাঁটতে পারেন না, চলতে পারেন না। হুইল চেয়ার চলতে হচ্ছে তাঁকে। এই সরকার এবং তার সরকারি কর্মকর্তারা আছেন, পিজির (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষ আছেন তারা বলছেন যে, তিনি নাকি সুস্থ রয়েছেন। তিনি একেবারেই সুস্থ নন। আজকে অসুস্থ অবস্থায় তিনি কারারুদ্ধ হয়ে দিনাতিপাত করছেন। আমরা অবিলম্বে অসুস্থ নেত্রীর, অসুস্থ মহিলার সুচিকিৎসার জন্য তাঁর মুক্তির দাবি করেছি। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপি মহাসচিব নিজেই সেøাগান ধরেন- ‘জিয়ার সৈনিক, এক হও’, ‘মুক্তি চাই, মুক্তি চাই, খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই’।
সরকারের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার যারা সম্পূর্ণ অবৈধভাবে ভোট ডাকাতি করে, জনগণের অধিকারকে হরণ করে ক্ষমতায় বসে আছে, তারা অন্যায়ভাবে দেশনেত্রীকে আটকিয়ে রেখেছে শুধু মাত্র একটি কারণে দেশনেত্রী যদি মুক্ত থাকতেন তিনি জনগণকে নিয়ে এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেন। এই অবৈধ সরকার রাষ্ট্রের সমস্ত যন্ত্রগুলোকে, রাষ্ট্রের সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধবংস করে ফেলেছে। আজকে বিচার বিভাগ, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং মিডিয়া-প্রেস সবকে নিয়ন্ত্রণ করে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করার জন্য, বাস্তবায়িত করবার জন্যে সে জোর করে টিকে আছে।
তিনি বলেন, পত্রিকায় দেখছেন, টেলিভিশনের দেখছেন, কীভাবে গণলুট তারা করছে, কিভাবে দুর্নীতি করছে, আজকে তারা দুর্নীতির পাহাড় গড়ে তুলেছে। দুর্নীতির টাকা দিয়ে তারা দেশে-বিদেশে পাচার করে বাড়ি-ঘর গড়ে তুলছে। দেশের মানুষের প্রতি তাদের কোনো জবাবদিহিতা নাই, তারা বাংলাদেশের মানুষকে ভালোবাসে না বলেই এই একটা গণতন্ত্রহীন অবস্থায় নিয়ে এসেছে। আমরা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিলাম এদেশে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠানিক রূপ দেবো বলে, এদেশের মানুষের অধিকারকে ফিরিয়ে দেবো বলে যা আজকে এই আওয়ামী লীগের সরকার যারা একবার ১৯৭৫ সালে বাকশাল করে মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছিলো, গণতন্ত্র হত্যা করেছিলো আজকে আবার ভিন্ন কৌশলে তারা একই কায়দায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করে আজকে তারা একদলীয় শাসনব্যবস্থাকে পাকাপোক্ত করছে।
আসামে নাগরিকপঞ্জির নামে গভীর চক্রান্ত চলছে বলে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের কোনো নাগরিক ভারতে যাননি। আসামের নাগরিকপঞ্জির দাবি ভুল। নাগরিকপঞ্জির নামে দেশকে বিপদগ্রস্ত করতে গভীর চক্রান্ত শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, আজকে তারা বাংলাদেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিচ্ছে। তারা রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান করতে পারছে না। কারণ তাদের সেই বৈধ্যতা নাই, তাদের সেই সাহস নাই, তাদের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণ এই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করতে পারছে না। দুই বছরে একজন রোহিঙ্গাকেও তারা ফেরত পাঠাতে পারে নাই। আরেকদিকে পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশি বন্ধুদেশ তাদের আসামের মন্ত্রীরা তাদের নেতারা হুমকি দিচ্ছেন যে, বাংলাদেশি যারা অনুপ্রবেশ তাদেরকে তারা ঠেলিয়ে বের করে দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে। আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, কোনো বাংলাদেশি কখনো ভারতে যায় নাই স্বাধীনতার পরে। আজকে গভীর চক্রান্ত শুরু হয়েছে বাংলাদেশকে আবার বিপদগ্রস্ত করবার জন্য, আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করবার জন্য।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে একটি মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটকিয়ে রাখা হয়েছে। দেড়বছর হতে চললো তাঁকে আটকিয়ে রাখা হয়েছে। সরকারের প্রভাবের কারণে আদালত মুক্ত মনে কাজ করতে পারছে না। যে কারণে আজকে আইনি প্রক্রিয়ায় তাঁকে মুক্ত করা সম্ভবপর হচ্ছে না। আমরা এই আইনি লড়াই চালিয়ে যাবো। তাঁকে মুক্ত করতে আমাদের এখন ঐক্যবদ্ধভাবে সারা বাংলাদেশে আন্দোলনের পথ বেছে নিতে হবে, কর্মসূচি দিতে হবে। একমাত্র রাজপথেই আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি অর্জন করতে পারবো।
সরকারকে উদ্দেশ্য করে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, মানে মানে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেবেন? না কি আমাদের রাজপথে নামতে হবে। আমরা যদি মনে করি, সরকার বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তিতে একমাত্র বাধা। তাহলে সরকারের পতনই আগে ঘটাবো।
গয়েশ্বর বলেন, দেশের আদালত একটা অনুষ্ঠানিকতা মাত্র। তাই বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আদালতের ওপর নির্ভর করা তাঁর জন্য অসম্মানজনক।
তিনি বলেন, যে আদালত নিজে চলতে পারে না, যে আদালত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বাইরে এক কদম হাঁটতে পারে না, সেই আদালতের ওপর নির্ভরশীলতা আর বেগম খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি রাখা একই কথা। তাই আমাদের এখন মানববন্ধন করতে হবে যে, দানবের হাতে বন্দি আছেন বেগম খালেদা জিয়া।
তিনি আরো বলেন, আমরা যদি মনে করি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সরকার একমাত্র বাধা তবে সরকার পতনের আন্দোলন আগে করবো তারপরে বেগম খালেদা জিয়া স্বাভাবিকভাবে মুক্তি পাবেন।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আদালতকে প্রভাবিত করে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি বিলম্বিত করা হচ্ছে। এজন্য জনগণকে সাথে নিয়ে রাজপথে আন্দোলন করতে হবে এবং নেত্রীকে মুক্ত করতে হবে।
বিএনপির আবদুস সালাম আজাদ, আমিরুল ইসলাম খান আলিম ও শহিদুল ইসলাম বাবুলের পরিচালনায় মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আহসানউল্লাহ হাসান, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু,মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু প্রমুখ।
এছাড়াও মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বিলকিস জাহান শিরিন, শামীমুর রহমান শামীম, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল হক, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আউয়াল খান, শরীফুল আলম, সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, সালাহ উদ্দিন ভূইয়া শিশির, আমিনুল ইসলাম, আকরামুল হাসান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা সুলতানা আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদিকা জেরিন খান, তাঁতী দলের আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ, যুগ্ম আহবায়ক ড. মনিরুজ্জামান মনির, কৃষক দলের সদস্য সচিব হাসান জাফির তুহিন, বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার, যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম মিল্টন, কৃষক দলের সদস্য মাইনুল ইসলাম, মোজাম্মেল হক মিন্টু সওদাগার, আলহাজ খলিলুর রহমান ভিপি ইব্রাহিম, এম জাহাঙ্গীর আলম, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, স্বেচ্ছাসেব দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, জিয়া পরিষদের মহাসচিব ড. এমতাজ হোসেন, জিয়া পরিষদের আবুল কালাম আজাদ, শরিফুজ্জামান, রবিউল ইসলাম, দক্ষিণ খান থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাজিম দেওয়ান, ক্যান্টনমেন্ট থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রশিদ বাবুল, কোতয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি হায়দার আলী বাবলা, হাতির ঝিল থানা বিএনপির সভাপতি মো. মমিন উদ্দিনসহ হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D