২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:০৪ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৩০, ২০১৮
গাইবান্ধা : গাইবান্ধার-৩ ও ৫ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় আওয়ামী লীগের দুজন প্রার্থীর সাথে ফটোসেশনে অংশ নিয়েছেন গাইবান্ধার সাঘাটা ও পলাশবাড়ী থানার ওসিদ্বয়।
দুটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় উঠে সর্বত্র। ক্ষোভে ফেটে পড়ে বিরোধী জোট।
দুই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন-সাঘাটা থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান ও পলাশবাড়ী থানার ওসি হিপজুর আলম মুন্সি। এ ছাড়া সাঘাটা থানার ওসি মোস্তাফিজারের সঙ্গে বোনারপাড়া তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমানও ফটোসেশনে অংশ নেন।
সমালোচকরা বলছেন, ওসি যখন দলীয় কর্মীর ভূমিকায় গিয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সাথে ফটোসেশনে অংশ নেয়, তখন এটা সহজেয় অনুমেয় নির্বাচনে তাদের ভূমিকা কী হবে। তারা নির্বাচনে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে না।
বুধবার দুপুরে সাঘাটা উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাহী অফিসার উজ্জল কুমার ঘোষের কাছে গাইবান্ধা-৫ আসনের (ফুলছড়ি-সাঘাটা) এমপি ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া মনোনয়নপত্র জমা দেন।
অভিযোগ উঠেছে-এ সময়ে ফটোসেশনে অংশ নেন সাঘাটা থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান ও বোনারপাড়া তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান।
এ ছাড়া পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাহী অফিসার মেজবাউল হোসেনের কাছে গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের ক্ষমতাসীন দলের এমপি ডা. মো. ইউনুস আলী সরকার মনোনয়নপত্র জমার সময় ফটোসেশনে অংশ নেন পলাশবাড়ী থানার ওসি হিপজুর আলম মুন্সি।
তবে বিষয়টি নিয়ে ওসি হিপজুর আলম বলেন, আমরা ওখানে ছিলাম। তখন আমাদের অনুরোধ করা হয়েছে ছবি তোলার জন্য। এটি রাজনৈতিক উদ্দেশে তোলা হয়নি। নির্বাচনী নীতিমালার কোনো লঙ্ঘন নয়। তবে এটি নিয়ে কেউ বিতর্ক করতে চাইলে করতে পারেন।
তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় নেতাকর্মীদের বারবার ডাকেই মনোনয়নপত্রে হাত দিয়েছেন। তবে এমন ছবি সারাদেশে অনেক হয়।
এ বিষয়ে সাঘাটা থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করেছি। আমরা ইউএনওর সঙ্গে ছিলাম। তাকে সহযোগিতা ও নিরাপত্তা দেয়া আমাদের দায়িত্ব।
তিনি বলেন, প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা তা গ্রহণ করেছেন। আমরা সঙ্গে ছিলাম। এখানে অন্য কিছু হয়নি।
মনোনয়ন জমার সময় দলের প্রার্থীদের সঙ্গে ফটোসেশনের বিষয়টি নিয়ে কথা হয় গাইবান্ধা পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়ার সঙ্গে।
তিনি বলেন, বিষয়টি আমার নজরে পড়েছে। নিরাপত্তার কারণে তারা দায়িত্ব পালন করতে পারেন, কিন্তু হাত বাড়িয়ে দেয়া ঠিক হয়নি। এ নিয়ে তাদের সতর্ক করাসহ জবাব দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D