ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া ইস্কাটনের বাসা থেকে গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২১, ২০১৮

ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া ইস্কাটনের বাসা থেকে গ্রেপ্তার

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ নিয়ে যায় বলে তার আইনজীবী ইকবাল পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে আজ দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ-৬ আদালত সম্পদের হিসাব জমা না দেওয়ার মামলায় রফিকুল ইসলামকে তিন বছর কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেল দেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির না থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।

পরিবারের সদস্যরা জানান, রফিকুল ইসলাম মিয়া সারা দিন গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে ছিলেন। বিএনপির প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়ার কার্যক্রমে ছিলেন। সেখান থেকে বের হওয়ার পর রফিকুল ইসলাম মিয়াকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

তার আইনজীবী ইকবাল হোসেন বলেন, প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়ার কার্যক্রমে উপস্থিত থাকায় রফিকুল ইসলাম মিয়ার পক্ষে আদালতে সময় চেয়ে আবেদন করেন। কিন্তু আদালত তার আবেদন নাকচ করে রায় ঘোষণা করেন। রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করবেন রফিকুল ইসলাম।

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০১ সালে ৭ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের নোটিশ ওই বছরের জুনের ১০ তারিখে রফিকুল ইসলাম মিয়া গ্রহণ করলেও কোনো জবাব দেননি।

পরে ২০০৪ সালের ১৫ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। পরে ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি দুদক কর্মকর্তা সৈয়দ লিয়াকত হোসেন ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে উত্তরা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে ওই বছরের ৩০ নভেম্বর আদালতে রফিকুলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। আদালত ওই অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে গত বছরের ১৪ নভেম্বর রফিকুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ছয়জন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

দুদকের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন দুদকের কৌঁসুলি মোশাররফ হোসেন কাজল।