দলীয় কার্যালয় ও সংসদ প্লাজায় জানাযা শেষে তরিকুলের লাশ যশোরের পথে

প্রকাশিত: ১:৩১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৫, ২০১৮

দলীয় কার্যালয় ও সংসদ প্লাজায় জানাযা শেষে তরিকুলের লাশ যশোরের পথে

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জানাজায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস,‌ ড. আবদুল মঈন খানসহ বিএনপি ও তার অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

এ সময় বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে, দলের দুঃসময়ে, তরিকুল ইসলামের চলে যাওয়া জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। অন্যায়ের সঙ্গে তিনি কখনো আপস করেননি। তরিকুল ইসলামের মৃত্যুতে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতি থেকে এক নক্ষত্রের বিদায় হলো। এ ক্ষতি কখনো পূরণ হওয়ার নয়।’

এর আগে শেষবারের মতো নিজের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের মরদেহ। সোমবার সকাল ১০টার কিছু পরে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্যকে। তার আগ থেকেই তরিকুল ইসলামকে শেষবারের মতো দেখার জন্য ও শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য জড়ো হয়েছিলেন শত শত নেতাকর্মী।

দলীয় কার্যালয়ের সামনে জানাযা শেষে সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখান থেকে যশোর নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বাদ আছর যশোর ঈদগাহ মাঠে তার নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হবে।

রবিবার বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ৭২ বছর বয়সের এই নেতা। দীর্ঘদিন ধরে তরিকুল ইসলাম ফুসফুসে সংক্রমণ, কিডনি জটিলতাসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। কিডনি সমস্যার কারণে তাকে নিয়মিত ডায়ালাইসিস দিতে হতো। রবিবার ডায়ালাইসিস দেওয়ার সময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। ডায়ালাইসিস দেওয়ার সময়ই তার ‘হার্ট অ্যারেস্ট’ হয়। দুপুর দেড়টার দিকে তাকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়। বিকেল ৫টার কিছু সময় পর তিনি মারা যান। পরে সন্ধ্যায় তরিকুলের মরদেহ তার শান্তিনগরের বাসভবনে নেওয়া হয়।