স্বৈরাচারী শাসন কী, নিজ স্ট্যাটাসে তুলে ধরলেন সোহেল তাজ

প্রকাশিত: ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ৮, ২০১৮

স্বৈরাচারী শাসন কী, নিজ স্ট্যাটাসে তুলে ধরলেন সোহেল তাজ

Manual5 Ad Code

বঙ্গবন্ধু এবং তাজউদ্দীন আহমদের হাতে গড়া সংগঠন আওয়ামী লীগ তার জন্মলগ্ন থেকে গণমানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করেছে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা এনেছে এই দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য ও পরবর্তীতে একই ধারায় আওয়ামী লীগ জনগণের ধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছে ও : ইদানীংকালে আমরা অনেকেই স্বৈরাচারী শাসন কি তা হয়তো ভুলে গিয়েছি ও নতুন প্রজন্মের জন্য ছোট্ট করে নিম্নে কিছু নমুনা দিলাম যাতে করে আমরা ভবিষ্যতে স্বৈরাচার কি তা চিহ্নিত করতে পারি ও স্বৈরাচারী শাসন চেকলিস্ট : ১. যখন সাধারণ মানুষ তার মুক্তচিন্তা ব্যক্ত করতে ভয় পায় ও ২. যখন দল, সরকার এবং রাষ্ট্র একাকার হয়ে যায় আর সরকারকে সমালোচনা করলে সেটাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা বলে আখ্যায়িত করা হয়, ৩. যখন দেশের প্রচলিত নানা আইন এবং নতুন নতুন আইন সৃষ্টি/তৈরি করে তার অপব্যবহার করে রিমান্ডে নেয়া এবং নির্যাতন করা হয়, ৪. বিনাবিচারে হত্যা ও গুম করে ফেলা হয় ও ৫. রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহকে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ব্যবহার করা হয়, ৬. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থাকে পেটোয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করা হয়, ৭. যখন সাধারণ নাগরিকসহ সকলের কথাবার্তা, ফোনালাপ, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট মনিটর ও রেকর্ড করা হয়, ৮. যখন এই সমস্ত বিষয় রিপোর্ট না করার জন্য সংবাদমাধ্যম, সাংবাদিকদের গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে হুমকি দেয়া হয়। শহিদুল আলমকে হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ হাইকোর্টের : দিনকাল রিপোর্ট : তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় রিমান্ডে থাকা আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজত থেকে হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে শহিদুল আলমের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শহিদুলকে রিমান্ডে পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ও তাকে হাসপাতালে পাঠানোর আবেদন জানিয়ে তার স্ত্রী রেহনুমা আহমেদের করা রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এই আদেশ দেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করবেন ড. কামাল হোসেন ও ব্যারিস্টার সারা হোসেন। রবিবার রাতে ধানমন্ডির বাসা থেকে শহিদুল আলমকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নেয়ার পরের দিন দুপুরে তাকে আটকের কথা জানায় গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৯ ধারায় মামলা দিয়ে গ্রেফতার দেখানো হয়। : সোমবার পুলিশ তাকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। আদালত ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালতে তোলার আগেই শহিদুল আলমকে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন করা হয় বলে আদালত চত্বরে হাঁটার সময় গণমাধ্যমকে জানান তিনি। তার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় নির্যাতনে তার পাঞ্জাবিতে রক্ত লাগায় তা ধুয়ে ইস্ত্রি করে আবার পরানো হয়। খালি পায়ে আদালতে নেয়ার সময় শহিদুল দুই পুলিশ সদস্যের কাঁধে ভর দিয়ে হাঁটছিলেন।

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code