১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:০৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২১, ২০১৬
একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় গুরুতর আহতদের একজন হচ্ছেন রাশেদা আক্তার রুমা। সেদিন ট্রাক মঞ্চে ওঠার সিঁড়ির সামনেই ছিলেন তিনি। বর্তমানে জীবন আটকে আছে একটি ক্র্যাচে বন্দি হয়ে।
হাজারের ওপর স্প্লিন্টার, সতের বার অপারেশন, হাসপাতালে পাঁচ বছর, হুইল চেয়ারে চার বছর এভাবেই চলছে রুমার জীবন।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট হামলার একযুগে রায়ের বাজারের বাসায় রুমা দুঃসহ জীবনের ঘানি টানার অবর্ণনীয় কষ্টের কথা বলতে গিয়ে অঝোরে কাঁদছিলেন।
তিনি বলেন, এভাবে কষ্ট নিয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভালো ছিল। স্বামী মারা যাওয়ার দু’বছর পরের ঘটনা। দুই মেয়েকে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার বানাবো স্বপ্ন ছিল। তাদের স্কুলে নিয়ে যেতে পারিনি। সময়ের আগেই বিয়ে দিতে হয়েছে।
২০০৪ সালে রুমা কোতোয়ালি থানার ৬৯নং ওয়ার্ড (বর্তমানে ঢাকা দক্ষিণের ৩৩নং ওয়ার্ড) আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক।
সেদিনের স্মৃতি আওড়ে রুমা বলেন, হঠাৎ বিস্ফোরণের শব্দে কিছুই বুঝতে পারিনি। আমি চিৎকার দিয়ে ডাকতে থাকি, পানি, পানি…। পরে জানতে পারি ঢাকা মেডিকেলে নিহত অন্যদের লাশের সঙ্গে আমাকে মর্গে নেয়ার সময় আমাদের একজন কর্মী আমার হেঁচকির শব্দ শুনে উপস্থিতদের বলেন এখানে জীবিত কেউ আছে। পরে সেখানে থেকে সাবের ভাইয়ের (সাবের হোসেন চৌধুরীর) গাড়িতে করে নেয়া হয় ধানমন্ডির বাংলাদেশ মেডিকেলে। সাতদিন আমার জ্ঞান ফেরেনি। সেখান থেকে পঙ্গু হাসপাতাল, শিকদার মেডিকেল আর সর্বশেষ ভারতের পিয়ারলেস হাসপাতালে।
বলতে থাকেন, কী যন্ত্রণা নিয়ে বছরের পর বছর যে কাটছে আল্লাহ জানেন। গ্রেনেডে সমস্ত শরীর ঝাঁঝরা হয়ে গেছে। বিভিন্ন স্থানে ঘা। সিএমএইচ থেকে বলা হয়েছে, জরুরি অপারেশন করতে সিঙ্গাপুর যেতে। সাহায্যের জন্য মন্ত্রীদের দপ্তরে ঘুরছি আট মাস। কবে সহায়তা পাব জানি না। চিকিৎসার অভাবে ধুঁকে মরার অবস্থা। রুমা বলেন, ২১শে আগস্ট আমাকে সারাজীবনের জন্য অচল করে দিয়েছে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D