আদালতের পথে খালেদা জিয়া

প্রকাশিত: ১২:১০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৮, ২০১৮

আদালতের পথে খালেদা জিয়া

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় হাজিরা দিতে আদালতের পথে রওনা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে গুলশানের বাসা থেকে আদালতের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুরান ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ আদালতে এই দুই মামলার বিচার কার্যক্রম চলছে।

ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে দুর্নীতির দুই মামলায় বৃহস্পতিবার দ্বাদশ দিনের মতো যুক্তিতর্ক চলবে।

বুধবার খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন জানিয়েছিলেন যে, বৃহস্পতিবার ধার্য দিনে আদালতে উপস্থিত হবেন খালেদা জিয়া।

তিনি আরো জানিয়েছিলেন, খালেদা জিয়া শুনানির মুলতবি চেয়েছিল। তা মঞ্জুর না করে আদালত খালেদাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে ওই দিনের জন্য অব্যাহতি দেন। তিনি ব্যক্তিগত জামিন চাননি। তাই তিনি বৃহস্পতিবার আদালতে আসবেন।

বুধবার যুক্তি-তর্ক শুনানির বিরতির পর খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা এ আবেদন জানান। এরপর আসামি শরফুদ্দিন আহমেদের পক্ষে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন করেন আইনজীবী আহসানুল্লাহ।

এর আগে মঙ্গলবার ১০ম দিনের মতো জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। এর পর আসামি ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন তার আইনজীবী আহসান উল্লাহ। তার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষ না হওয়ায় বুধবার দিন ধার্য করেন আদালত।

এর আগে ১১ জানুয়ারি ৯ম দিনের মতো জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার। পরবর্তী সময় যুক্তি উপস্থাপনের জন্য ১৬, ১৭ ও ১৮ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন আদালত।

১৯ ডিসেম্বর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার যুক্তি উপস্থাপন শুরু হয়। এদিন রাষ্ট্রপক্ষ খালেদা জিয়াসহ সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন।

এরপর ২০, ২১, ২৬, ২৭ ও ২৮ ডিসেম্বর এবং ৩ , ৪, ১০, ১১ ও ১৬ জানুয়ারি খালেদার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন তার আইনজীবীরা।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রাজধানীর রমনা থানায় প্রথম মামলাটি করা হয়।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুদক।