জনগণের উপর প্রতিশোধ নিতেই দফায় দফায়, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করছে সরকার : শামীম

প্রকাশিত: ৯:৩৪ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৭

জনগণের উপর প্রতিশোধ নিতেই দফায় দফায়, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করছে সরকার : শামীম

চাল, ডাল, পেঁয়াজসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভাগুলোতে হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধি এবং গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল (বিএনপি) কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেটে জেলা ও মহানগর বিএনপির যৌথ উদ্যোগে আজ বুধবার ঐতিহাসিক রেজিস্ট্রারি মাঠে বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী অবৈধ বাকশালী সরকার নিজেদের আখের গোছানোর কাজে ব্যস্ত রয়েছে। তারা লুটপাটের মহোৎসব চালালেও জনগণের কল্যানে কিছুই করছেনা। তেল-গ্যাস, বিদ্যুৎ সহ দ্রব্যমুলের উর্ধ্বগতি রোধে সরকার কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। ৫ জানুয়ারীর কথিত নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করায় আওয়ামী অবৈধ সরকার জনগণের উপর প্রতিশোধ নিতেই দফায় দফায়, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করছে। শুধু তাই নয় জনগণের ঘাড়ের ভ্যাট-ট্যাক্সের বোঝা চাপিয়ে দিয়ে তারা দেশের অর্থনীতিকে লুটপাট করছে। চাল, ডাল, পেঁয়াজসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের এত উর্ধ্বগতি বাংলাদেশের ইতিহাসে কলংকের কালেমা লেপন করেছে। অযৌক্তিক কারনে দফায় দফায় গ্যাস-বিদ্যুতের অসহনীয় মুল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভাগুলোতে হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণকে চোষে খাচ্ছে। মানুষ এই দুঃশাষন থেকে মুক্তি চায়। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হলে লুটপাটে জড়িত কাউকে রেহাই দেয়া হবেনা। এই ভয়েই সরকার আবারো পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে গদি দখলের ষড়যন্ত্র করছে। সকল ষড়যন্ত্র নস্যাত করতে দেশপ্রেমিক জনতাকে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নামতে হবে।

মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী বলেন- অবৈধ ফ্যাসিস্ট সরকারের হাতে মানুষের জানমালের কোন নিরাপত্তা নেই। আওয়ামী দুঃশাষনে দেশে আজ নিরব দুর্ভিক্ষ চলছে। তেল-গ্যাস, বিদ্যুতের পাশাপাশি চাল-ডাল-পিয়াজ সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের চরম মুল্যবৃদ্ধিতে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। আওয়ামীলীগ মুখে উন্নয়নের কথা বললেও প্রকৃত পক্ষে তারা জনগণকে শোষন করছে। এই শোষক শ্রেনীর হাত থেকে জাতিকে রক্ষা করতে বাকশালী সরকারকে ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এই লক্ষ্যে দেশপ্রেমিক জনতাকে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিমের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে শুরুতে কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মহানগর বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ আশরাফ আলী।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির শাহীন, জেলা সহ-সভাপতি জালাল উদ্দিন চেয়ারম্যান, মহানগর সহ-সভাপতি আব্দুস সাত্তার, অধ্যাপিকা সামিয়া বেগম চৌধুরী, বাবু নিহার রঞ্জন দে, জেলা সহ-সভাপতি নুর মিয়া, জেলা উপদেষ্ঠা আলহাজ্ব শহীদ আহমদ চেয়ারম্যান, মাজহারুল ইসলাম ডালিম, ইলিয়াস মিয়া মেম্বার, মহানগর উপদেষ্ঠা সাঈদুর রহমান বুদুরি, সরফরাজ আহমদ চৌধুরী, সৈয়দ বাবুল হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, মহানগর যুগ্ম-সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, জেলা যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন লস্কর ও মোঃ মইনুল হক, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাশেম ও শামীম আহমদ, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মুকুল মোর্শেদ ও মাহবুব চৌধুরী, বিএনপি নেতা কামাল মিয়া, মহানগর দফতর সম্পাদক সৈয়দ রেজাউল করিম আলো, জেলা দফতর সম্পাদক এডভোকেট মোঃ ফখরুল হক, মহানগর প্রচার সম্পাদক শামীম মজুমদার, জেলা প্রকাশনা সম্পাদক এডভোকেট আল আসলাম মুমিন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক এডভোকেট আনোয়ার হোসে, জেলা শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সুরমান আলী, মহানগর শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ইউনুছ মিয়া, জেলা যুব বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক লায়েছ আহমদ, মহানগর মানবাধিকার সম্পাদক মুফতি নেহাল উদ্দিন, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মান্নান পুতুল, জেলা তাতী বিষয়ক সম্পাদক অহিদ আহমদ তালুকদার, মহানগর আপ্যায়ন সম্পাদক আফজাল উদ্দিন, বানিজ্য সম্পাদক আব্দুস সাত্তার মামুন, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সম্পাদক আজমল হোসেন, পল্লী উন্নয়ন সম্পাদক আব্দুল জব্বার তুতু, জেলা সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব ও মুরাদ হোসেন, মহানগর সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খছরুজ্জামান খছরু, বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে-লোকমান আহমদ, আব্দুল মালেক, দিদার ইবনে লস্কর, বুরহান উদ্দিন, এডভোকেট ইসরাফিল আলী, এডভোকেট আব্দুল ফাত্তাহ তোহেল, ফখরুল ইসলাম, আব্দুল লতিফ খান, শাহ মাহমুদ আলী, এনামুল হক মাক্কু, আব্দুল মালেক, আমেনা বেগম রুমি, মিনারা হোসেন, ফাতেমা জামান রোজী, দিলোয়ার হোসেন জয়, নাসিম আহমদ চৌধুরী, নজির হোসেন, ছালিক আহমদ চৌধুরী, আব্দুস সাত্তার আমীন, আইয়ুব আলী সজীব, সেলিম আহমদ, উজ্জল রঞ্জন দে, আক্তার রশীদ চৌধুরী, জিয়াউর রহমান দিপন, মনিরুল ইসলাম তুরণ, মঈনুল ইসলাম মঞ্জু, আজির উদ্দিন আহমদ, আব্দুল মান্নান, আব্দুল হান্নান, মখলিছ খান, সাব্বির আহমদ, ইসলাম উদ্দিন, সেলিম খান জালালাবাদী, হাসান মঈনুদ্দিন আহমদ, শেখ কবির আহমদ, শাহনেওয়াজ বেগম মুন্নি, আব্দুস সাত্তার আমীন, আব্দুস সোবহান, শরীফ উদ্দিন মেহেদী, শফিক নুর, সালাউদ্দিন, শাহীন মিয়া, দিলোয়ার হাসান রানা, নুরুল ইসলাম লিমন, এনামুল হক সোহেল, মাহবুব আহমদ চৌধুরী, মাওলানা নুরুল হক, আবুল হাসনাত, মালেক মেম্বার, শাহ মোজাম্মেল আলী, রায়হান আহমদ রাসেল, আব্দুল মুকিত, শহীদ রেজা মেম্বার, আবুল কালাম, জাহাঙ্গীর আলম, আলী আহমদ, আব্দুল মন্নান, কালাম আহমদ রুহেল, ইসলাম উদ্দিন, ফয়জুর রহমান বেলাল, নজরুল ইসলাম, কাজী মেরাজ, দেওয়ান আরাফাত চৌধুরী জাকির, লিটন আহমদ, মির্জা স¤্রাট, কল্লোলজ্যোতি বিশ্বাস জয়, মোজাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, ফারজানা বখত রাহেনা, জাকির আহমদ, নজরুল ইসলাম, ফাতেমা আহমদ কুমকুম, নাসির উদ্দিন রহীম, আলী আহমদ আলম, জামাল আহমদ খান, সালাউদ্দিন রিমন, শিহাব খান, সোহেল ইবনে রাজা, মাসুম পারভেজ, জিয়াউর রহমান, আব্দুস সালাম, লিটন মিয়া, জহুরুল ইসলাম রাসেল, আব্দুল হাই রাজন, হাবিবুর রহমান হাবিব, এডভোকেট মোবারক হোসেন রনি, রুস্তুম আহমদ, সাজন আহমদ সাজু, আলী আকবর রাজন, দুলাল আহমদ, মিজানুর রহমান মিজান, রুমন আহমদ রাজু, জাহেদুল ইসলাম জাহেদ, লিটন মিয়া, সুমন আহমদ বিপ্লব, মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, আল আমীন, মাসুম আহমদ লস্কর, জসিম উদ্দিন, হাফসা খানম ও শামসুদ্দিন শুভ প্রমুখ।

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট