২৫শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:১৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৮, ২০১৭
নির্বাচন কমিশনের সাথে সংলাপে অংশ নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সংসদীয় আসন অক্ষুন্ন রেখে ইলেকট্রনিক ভোটের (ইভিএম) প্রস্তাব দিয়েছে।
এর আগে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নির্বাচন ভবনে পৌঁছান আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের নেতারা। তারা হলেন- দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম ও মতিয়া চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম ও মশিউর রহমান, প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, ফারুক খান ও রমেশ চন্দ্র সেন, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ জমির ও মো. রশিদুল আলমও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ, দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ এবং কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজুল কবির কাওছার।
ইসির জনসংযোগ পরিচালক এসএম আসাদুজ্জামান জানান, বুধবার বেলা ১১টায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে মতবিনিময় করবে কমিশন। নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ সংলাপ শুরু হবে বলে জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশনে গিয়ে ১১টি প্রস্তাব তুলে ধরবে। সকল দলের অংশ গ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে বেশ কিছু প্রস্তাবনাও থাকবে। দলের পক্ষ থেকে যে সকল প্রস্তাব তুলে ধরা হবে তার মধ্যে অন্যতম প্রস্তাব থাকবে সংবিধানে নির্বাচনকালীন যে সরকারের কথা বলা হয়েছে , আওয়ামীলীগ চায় এ সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে।
ইভিএম ছাড়াও আওয়ামী লীগের প্রস্তাবনায় সেনা মোতায়েন না করা, আরপিওতে বড় ধরনের কোন পরিবর্তন না আনা, একান্ত জরুরি না হলে সীমানা পুনর্বিন্যাস না করা, প্রবাসীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তিসহ তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা, ভোটার তালিকার ভুলগুলো দূর করার বিষয় বৈঠকে গুরুত্ব দেয়া হবে।
তবে সেনাবাহিনী নিয়ে দলটির বক্তব্য থাকবে , নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন সম্পূর্ন ইসির এখতিয়ার। ইসি প্রয়োজন মনে করলে আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রণে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনা মোতায়েন করতে পারে। তবে আরপিওতে আইন-শৃংখলা বাহিনীর সংজ্ঞায় প্রতিরক্ষাবাহিনীকে সংযুক্ত করার প্রয়োজন নেই।
নির্বাচন কমিশনের সাথে আওয়ামী লীগের সংলাপের বিষয়ে জানতে চাইলে দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বাসসকে বলেন, বর্তমান সরকার শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার। এই সরকারই নির্বাচনকালীন সময়ে অন্তবর্তিকালিন সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। এই সরকার রুটিন কাজ গুলো করবে। কিন্তু নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন।
তিনি বলেন, আমরা সংবিধানের বাইরে যাব না। সংবিধানের বাইরে যাওয়া মানেই হচ্ছে রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করা। নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বিএনপি এটা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করছে।
এছাড়া জোর দাবি না থাকলেও আওয়ামী লীগ ই-ভোটিংয়ের প্রস্তাবনা দিবে বলে জানিয়ে আওয়ামীলীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ বলেন, এই নির্বাচনে সেনাবাহিনীর সরাসরি অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা নেই। তারা রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে থাকতে পারে।
নির্বাচন কমিশন যাতে স্বচ্ছ ও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে সেই জন্যও দলের পক্ষ থেকে আরো কিছু প্রস্তাবনা নির্বাচন কমিশনের কাছে তুলে ধরা হবে বলেও জানান তিনি। ই-ভোটিং নিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ চাচ্ছে একটি ডিজিটাল নির্বাচনী ব্যবস্থা চালু করতে। এরই একটি অংশ হচ্ছে নির্বোচনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহার।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুরোপুরি ইভিএম চালু করতে না পারলেও অন্তত কিছু কিছু কেন্দ্রে এর ব্যবহার এবং স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা সম্ভব। কমিশনের কাছে এ বিষয়টি তুলে ধরা হবে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D