চট্টগ্রামে বিয়ের আশ্বাসে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ : এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ৭:১০ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৩, ২০২৬

চট্টগ্রামে বিয়ের আশ্বাসে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ : এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় থেকে প্রেমের সম্পর্ক ও বিয়ের প্রতিশ্রুতি। পরবর্তীতে আবাসিক হোটেলে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২২ জুলাই) চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানায় এক তরুণীর দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আফতাব মজুমদার এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সংগঠক ও বন্দর থানা যুবশক্তির আহ্বায়ক।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, ১৪ মে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের স্বাক্ষরিত এক সাংগঠনিক বিজ্ঞপ্তিতে তাকে দলের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্যও করা হয়।

চান্দগাঁও থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, প্রায় তিন মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আফতাবের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরিচয় থেকে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। একপর্যায়ে অভিযুক্ত অনৈতিক সম্পর্কের ইচ্ছা প্রকাশ করলে তিনি বিয়ের আগে তাতে অসম্মতি প্রকাশ করেন।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ১৪ জুলাই সকালে আফতাব মজুমদার মোবাইল ফোনে তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে নগরের বন্দর এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে ডেকে নেন। সেখানে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। এরপর বারবার বিয়ের কথা বললেও নানা অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যান। পরে সব ধরনের যোগাযোগও বন্ধ করে দেন।

মামলায় আরও বলা হয়, পরবর্তীতে ভুক্তভোগী জানতে পারেন, আফতাব আগে থেকেই বিবাহিত।

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে গত ১৯ জুলাই ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে চান্দগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার ভিত্তিতেই অভিযান চালিয়ে আফতাব মজুমদার জয়কে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (২২ জুলাই) সকালে চান্দগাঁও থানার ডিউটি অফিসার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষণ মামলার ওই আসামি বুধবার (২২ জুলাই) গ্রেপ্তার হয়েছেন। তিনি হাজতে আছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হবে।’

জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় ৯টার দিকে নগরের হালিশহর বিডিআর মাঠের অদূরেই একটি দোকান থেকে আফতাব মজুমদারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আফতাব মজুমদারের ব্যক্তি জীবনে এর আগেও একাধিক বিয়ে নিয়ে নানা আলোচনা ছিল। তবে এসব তথ্যের স্বাধীনভাবে প্রামাণ্য নথিভিত্তিক সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

এ ঘটনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় বা মহানগর কমিটির কোনো নেতার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট