|
প্রকাশিত: ৮:৩৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬
পণ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে দ্রুত ও নিরাপদে পাঠানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, অনলাইনের বিক্রেতা কিংবা সাধারণ মানুষের জন্য পার্সেল পরিবহনের খরচ সামলানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
কুরিয়ার সার্ভিসগুলোর উচ্চ মাশুলের কারণে অনেক সময় পণ্যের দামের চেয়ে পরিবহন খরচই বেশি পড়ে যায়। এই অবস্থায় সর্বসাধারণের জন্য অত্যন্ত সাশ্রয়ী, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য পার্সেল পরিবহন সেবা নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ।
‘আজ বুকিং, আগামীকাল ঢাকা এবং ৪৮ ঘণ্টায় সারা বাংলাদেশ’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডাক বিভাগের স্পিডপোস্ট পার্সেল সেবা এখন সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের পার্সেল পরিবহন সেবার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ বলা হয় স্পিডপোস্ট। বেসরকারি কুরিয়ার সার্ভিসগুলোর তুলনায় এই রেট বহুগুণ সাশ্রয়ী।
ডাক বিভাগ কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশের যেকোনো প্রান্তে প্রথম ১ কেজি ওজনের পার্সেল পাঠানোর জন্য চার্জ মাত্র ১০ টাকা। আর ১ কেজির অতিরিক্ত প্রতি কেজি ওজনের জন্য যুক্ত হবে মাত্র ৫ টাকা। স্পিডপোস্ট সেবায় প্রতি পার্সেলের ওজন সর্বোচ্চ ৩০ কেজি পর্যন্ত হতে পারবে।
এ বিষয়ে ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম বলেন, স্পিডপোস্ট বেশ জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেছে। এই সার্ভিসে গ্রাহক নিয়মিত শুকনা খাদ্যসামগ্রী, মধু, তেল থেকে শুরু করে নানা রকম পণ্য পাঠাচ্ছেন। আমরা শুরুতে কয়েকটি বাইসাইকেল ও সাইকেল পাঠিয়ে পরীক্ষা করেছি। ঢাকা থেকে যেকোনো জেলা শহরে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমাদের পণ্য আনা–নেওয়া করা সম্ভব হচ্ছে। প্রান্তিক বা দূরবর্তী অন্য সব জেলা ও উপজেলায় আপাতত ৭২ ঘণ্টা সময় লাগলেও আমরা সময় কমিয়ে আনার চেষ্টা করছি।
স্পিডপোস্ট বাংলাদেশ ডাক বিভাগের একটি বিশেষ পার্সেল সেবা হিসেবে পরিপত্রে ঘোষণা করেছে ডাক বিভাগ।
ডাক বিভাগ কম খরচের পাশাপাশি তাদের সেবায় যুক্ত করেছে আধুনিক প্রযুক্তি। প্রেরিত পার্সেলটি কোথায় আছে, তা সহজেই ট্র্যাক করা যায়। ট্র্যাকিংয়ের জন্য ভিজিট করুন এই লিংক।
বুকিং দেওয়ার আগেই পার্সেলের সম্ভাব্য খরচ হিসাব করার জন্য আছে অনলাইন ক্যালকুলেটর সুবিধা। লিংক এখানে।
পার্সেল বুকিং করবেন যেভাবে;
বাংলাদেশ ডাক বিভাগের বিস্তৃত পোস্ট অফিস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পার্সেল পাঠানো অত্যন্ত সহজ।
পণ্য পাঠানোর জন্য গ্রাহক নিকটস্থ ডাকঘরে যান।
ডাকঘরের নিয়ম অনুযায়ী পণ্যটির নিরাপদ প্যাকেজিং সম্পন্ন করুন।
পার্সেলের ওপর প্রাপক ও গন্তব্যের সঠিক ঠিকানা পরিষ্কারভাবে লিখুন।
নির্ধারিত মাশুল দিয়ে বুকিং সম্পন্ন করুন এবং ট্র্যাকিং নম্বর–সংবলিত রসিদ বুঝে নিন।
বুকিং সম্পন্ন হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পার্সেল পৌঁছে যাবে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে।
দেশব্যাপী নেটওয়ার্ক ও ঢাকার প্রধান ডেলিভারি পয়েন্ট;
ডাক বিভাগের ভাষ্যমতে, দেশের আনাচকানাচে বিস্তৃত নেটওয়ার্কের কারণে যেকোনো দুর্গম অঞ্চলেও পার্সেল পৌঁছানো সম্ভব।
রাজধানী ঢাকায় গ্রাহকদের দ্রুত সেবা দিতে প্রধান প্রধান পয়েন্টগুলোয় ডেলিভারি গ্রহণের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ঢাকা জিপিও, গুলশান, বনানী, মিরপুর, উত্তরা, খিলগাঁও, মতিঝিল, ধানমন্ডি, ওয়ারীসহ মোট ২১টি সাব পোস্ট অফিসে সরাসরি পার্সেল ডেলিভারি নেওয়া যাবে।
বর্তমানে প্রধান ডাকঘর ও উপজেলা ডাকঘরে পার্সেল ডেলিভারি করা হচ্ছে। দ্রুতই ২ হাজারের বেশি পোস্ট অফিস থেকে ডেলিভারি ইস্যু করা যাবে।
দেশের ভেতরে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের প্রচলিত ডাক পরিবহন রুট ব্যবহার করে স্পিডপোস্ট পার্সেল পাঠানো হচ্ছে।
দেশের সব জিপিও, প্রধান ডাকঘর, উপজেলা ডাকঘর, টাউন সাব-পোস্ট অফিস, সাব-পোস্ট অফিস, আরএমএস বুকিং কাউন্টার এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস থেকে স্পিডপোস্ট পার্সেল বুকিং করা যাবে।
বুকিংয়ের সময়সীমা;
পোস্ট অফিসের নিয়মিত বুকিং সময়সীমার পাশাপাশি ডাক গ্রহণ-প্রেরণের সময়ের ওপর নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট ইউনিট কর্মকর্তারা বুকিং সময়সীমা নির্ধারণ করেন। তাদের ভাষ্যমতে, স্পিডপোস্টে ইস্যু করা পণ্য বিলি হবে—
জেলা শহর থেকে ঢাকায়: সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
এক জেলা শহর থেকে অন্য জেলায়: সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
প্রত্যন্ত বা দুর্গম অঞ্চলে: সর্বোচ্চ ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে
খেয়াল করুন, প্রতি শুক্রবার স্পিডপোস্টের বুকিং ও ইস্যু কার্যক্রম বন্ধ থাকে।
জরুরি দরকারে যোগাযোগ;
পার্সেল সেবা ও অন্যান্য তথ্যের জন্য ডাক বিভাগের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (www.bdpost.gov.bd) ভিজিট করতে পারেন।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D