|
প্রকাশিত: ৬:৩৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬
৯ বছরের রিফাত আর মাত্র ৪ বছরের তাবাসুম নামের দুটি ফুটফুটে ছেলে ও মেয়েকে স্ত্রীর কাছে রেখে জীবনের তাগিতে প্রবাসে যান বাবা। কিন্তু কে জানতো স্বামীর পাঠানো ৬ লক্ষ টাকা আর স্বর্ণ নিয়ে দুটি সন্তানকে রেখে পরকিয়া প্রেমিকের হাত ধরে ভারতে পালানোর চেষ্টা করেন আমেরিকা প্রবাসীর স্ত্রী ? প্রেমিক যুগলকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে ৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সীমান্তের মৌলভীবাজারের চাতলা বর্ডারের ইমিগ্রেশন কার্যালয়ে।
আটককৃতরা হলেন সিলেট নগরের ২৬ নং ওয়ার্ডের কদমতলীর ৮৪ স্বর্ণশিখার মৃত মো: লিলু মিয়ার মেয়ে ফৈরদৌস আক্তার নাজু (২৭) ও তার প্রেমিক গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের দক্ষিণ বাঘা গ্রামের রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে বুরহান উদ্দিন উজ্জল (৩২)।
আটক ফৈরদৌস আক্তার নাজুকে ইমিগ্রেশন পুলিশ জি¹াসাবাদ করলে সে তার প্রবাসী স্বামীর মোবাইল নাম্বার প্রদান করে। পরে ইমিগ্রেশন পুলিশ ফৈরদৌস আক্তার নাজুর স্বামী হাবিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি স্বজনদের বিষয়টি জানান। পরে উভয় পক্ষের অভিভাবকের জিম্মায় তাদেরকে মুক্তি দেয়া হয় এবং ইমিগ্রেশন পুলিশ কর্মকর্তা এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করার পরামর্শ দেন।
এ ঘটনায় প্রবাসী হাবিবুর রহমানের বড় ভাই কদমতলীর মৃত আসমান মিয়ার ছেলে নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে দক্ষিণ সুরমা থানায় ফৈরদৌস আক্তার নাজু ও তার পরকিয়া প্রেমিক বুরহান উদ্দিন উজ্জলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন গত ৩ সেপ্টেম্বর সকাল অনুমান ১০ টায় ফৈরদৌস আক্তার নাজু ও বুরহান উদ্দিন উজ্জল এর পূর্ব পরিকল্পনামত সন্তানদেরকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে ঘর নির্মাণ করার জমানো নগদ ৬ লক্ষ টাকা ও ২ ভরি স্বর্ণ যার মূল্য ৪ লক্ষ টাকাসহ উভয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সিলেট রেল স্টেশন হতে কুলাউরা চাতলা বর্ডারে গিয়ে পৌছায়। বাংলাদেশ সীমান্তে চাতলা বর্ডারের ইমিগ্রেশন পুলিশ কর্মকর্তা সন্দেহজনকভাবে তাদেরকে আটক করে।
এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুরমা থানার এসআই কামরুজ্জামান জানান, থানায় দায়ের করা অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাদী বিবাদীর উভয়ের বাড়িতে ৫ সেপ্টেম্বর তদন্ত করে এসেছেন, উভয় পক্ষকে আগামীকাল রোববার থানায় উপস্থিত থাকার জন্য বলে এসেছেন, অভিযোগটির প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য এ ঘটনার পূর্বেও ফৈরদৌস আক্তার নাজু স্বামীর অজান্তে পরকিয়ায় লিপ্ত ছিলো বলে পরিবার থেকে অভিযোগ উঠেছে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D