|
প্রকাশিত: ৮:৪৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০২৬
সিলেটের গোলাপগঞ্জে যুক্তরাজ্যে পাঠানোর কথা বলে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯। সোমবার (১৭ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেফতার কয়েছ আহমদ (৪০) গোলাপগঞ্জ উপজেলার ভাদেশ্বর এলাকার ময়নুল হকের ছেলে। তিনি মামলার এজাহারনামীয় চার নম্বর আসামি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গোলাপগঞ্জ উপজেলার গৌরাবাড়ি এলাকার মো. আব্দুল আহাদ (৫৯) এবং অভিযুক্তরা পরস্পর আত্মীয়। বেকার সন্তানদের বিদেশে পাঠানোর আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে অভিযুক্তরা যুক্তরাজ্যে স্বাস্থ্যসেবা খাতের ভিসায় লোক পাঠানোর কথা বলে প্রতারণার পরিকল্পনা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তদের কথায় বিশ্বাস করে আব্দুল আহাদ তার ছেলে আব্দুল আহসান সুহেদকে ৪০ লাখ টাকা খরচ করে যুক্তরাজ্যে পাঠান। এতে অভিযুক্তদের প্রতি তাদের আস্থা তৈরি হয়।
পরবর্তীতে আরও দুই ব্যক্তি যুক্তরাজ্যে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলে অভিযুক্তরা তাদের স্বাস্থ্যসেবা খাতের ভিসায় পাঠানোর জন্য ৮০ লাখ টাকা প্রয়োজন এবং পুরো প্রক্রিয়ায় চার থেকে ছয় মাস সময় লাগবে বলে জানান। পরে ২০২৩ সালের ১৮ মে থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে মোট ৬০ লাখ টাকা নেওয়া হয়।
টাকা দেওয়ার পর তাদের যুক্তরাজ্যে যাওয়ার জন্য চিকিৎসা পরীক্ষা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। তবে প্রায় এক বছর পার হলেও ভিসা প্রক্রিয়ায় কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় তারা অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় অভিযুক্তরা নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।
পরে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই করে ভুক্তভোগীরা জানতে পারেন, অভিযুক্তদের যোগসাজশে রিমি বেগম নামে এক নারীর দেওয়া কাগজপত্র জাল ও ভুয়া।
টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্তরা টাকা ফেরত না দিয়ে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন বলেও মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আব্দুল আহাদ গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলার পর আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯-এর সদর কোম্পানির একটি দল রোববার (১৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের রায়গড় পুরান বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে কয়েছ আহমদকে গ্রেফতার করে।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে গোলাপগঞ্জ থানায় করা মামলাটি মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় দায়ের করা হয়েছে। তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D