সিলেট মুক্ত দিবসে ‘আলোর অন্বেষণ’র মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা

প্রকাশিত: ৯:০৩ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫

সিলেট মুক্ত দিবসে ‘আলোর অন্বেষণ’র মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট ইউনিটের সহ-সভাপতি বদরুজ্জামান সেলিম বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সৈনিকরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, তাদের প্রতি সম্মান জানানো হলো জাতির প্রতি গভীর ভালোবাসা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। একটি জাতির প্রকৃত শক্তি তার ইতিহাস ও মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানানো শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানানো এবং দেশকে ভালোবাসার অনুপ্রেরণা দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় সিলেট মুক্ত দিবস উপলক্ষে নগরীর কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাহিত্য আসর হলে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আলোর অন্বেষণ’ আয়োজিত আলোচনা সভা ও মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মহান মুক্তিযুদ্ধের রনাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক বীর প্রতীককে সংবর্ধনা দেয়া হয়। সংবর্ধিত অতিথির হাতে সংবর্ধনা ও সম্মাননা ক্রেষ্ট তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

আলোর অন্বেষণের সভাপতি সাজন আহমদ সাজুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক এমজেএইচ জামিলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, কবি ও বাচিকশিল্পী সালেহ আহমদ খসরু এবং শাহপরান প্রি-ক্যাডেট একাডেমির প্রিন্সিপাল আশুতোষ দাস।

অনুষ্ঠানে ১৫ ডিসেম্বর সিলেট মুক্ত দিবসের মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ছড়াকার লোকমান হাফিজ। কবি মাওলানা কাওসার আহমদের কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সূচিত অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, কবি মাহফুজ জোহা, কবি সুয়েজ হোসেন, ছড়াকার ইলহাম ছাদি, ছড়াকার নাঈমুল ইসলাম গুলজার, মানবাধিকার নেত্রী সালমা আলী, গীতিকবি কুবাদ বখত রুবেল, কবি মকসুদ আহমদ লাল, হাসান আহমদ সানি, সাইদুর রহমান প্রমুখ।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি পুরো সময়জুড়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার মূল্যবোধ এবং জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের আবহে পূর্ণ হয়ে ওঠে।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট