৮ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১০:০৩ অপরাহ্ণ, মে ২২, ২০২৫
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে মামলার বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের নারী-পুরুষ সহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। পরে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় উভয়পক্ষ সংঘর্ষ থেকে বিরত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বুধবার (২১ মে) সন্ধ্যা সাতটার দিকে উপজেলার বদলপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের ফজলু মিয়ার স্বজন ও ফরিদ মিয়ার স্বজনদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘঠণা ঘটে। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্নস্থানে চিকিৎসা নিচ্ছে বলে জানাগেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বিগত কয়েকমাস পুর্বে ফজলু মিয়ার এক ভাগনীর মৃত্যু বিষয় নিয়ে তার স্বামী একই গ্রামের হাসন আলীর পুত্র মহসিন মিয়া বাদী হয়ে একই গ্রামের কাশেম আলীর পুত্র সুবেশ মিয়া(২৩)কে প্রধান আসামী করে এগার জনের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন৷ মামলা দায়েরের পর ফরিদ মিয়া ও সুবেশ মিয়া কারাগারে ছিলেন৷ মাস দুয়েক পুর্বে ফরিদ মিয়া এবং কিছুদিন পুর্বে সুবেশ মিয়া জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়িতে আসেন। এরপর থেকে মামলার বিষয়টি নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্য চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছিলো।
বুধবার সন্ধ্যায় মহসিন মিয়ার ছোটভাই মবিল মিয়া (১৮) এর সাথে গ্রামের এক দোকানের পাশে মামলার বিষয় নিয়ে সুবেশ মিয়ার বাকবিতন্ডা বাঁধে। বাক বিতন্ডার এক পর্যায়ে মবিল মিয়াকে মারধোর করে সুবেশ মিয়া ও তার লোকজন। মারধোরের বিষয়টি জানাজানি হলে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয়পক্ষের নারী-পুরুষসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ময়না মিয়া জানান, বিগত কয়েকমাস পুর্বে একটি হত্যা মামলার বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে পুর্ব বিরোধ ছিল। এরই জেরে আজ সন্ধ্যায় তারা সংঘর্ষে জড়ায়। খবর পেয়ে আমরা সেখানে গিয়ে উভয়পক্ষকে শান্ত করি।
ফজলু মিয়া জানান, আমার এক ভাগনীর মৃত্যুর বিষয় নিয়ে তার স্বামী ও সম্পর্কে আমার ভাগীনা মহসিন মিয়া তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে।সম্প্রতি সুবেশ মিয়া জামিনে বের হয়ে এসে নানা ভাবে মহসিনকে হমকি দিয়ে আসছে। আজ সন্ধ্যায় আমি বদলপুর বাজারে থাকাকালীন সময়ে মহসিনের ছোটভাই মবিল মিয়া আমাকে জানায় সুবেশ ও তাদের লোকজন তাকে মারধোর করেছে। এ বিষয়ে ফরিদ মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.শফিকুল ইসলাম বলেন, পুর্বের একটি মামলার বিষয় নিয়ে তাদের বিরোধ চলছিলো৷ এরই জেরে আজ তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D