১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭:০৬ অপরাহ্ণ, মে ১৮, ২০২৫
সিলেট নগরীর লালাদিঘীরপাড়ে একটি ক্লাবের নাম ভাঙিয়ে ৪শতক ভূমি দখলের চেষ্টা করছে একটি চক্র। ভূমি দখলের অপচেষ্টাকারী আতাউর রহমান আনা (৬০) নামের ওই ব্যক্তিকে বহিষ্কৃত এক বিএনপি নেতা শেল্টার দিচ্ছেন বলে অভিযোগ ভোক্তভোগি পরিবারের।
রোববার (১৮ মে) বেলা আড়াইটায় সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন নগরের লালাদিঘীর পাড়ের বাসিন্দা সালেহা বেগম। তাঁর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান তারই আত্মীয় ফিরোজ আহমদ।
সালেহা বেগম জানান, দীর্ঘদিন বেদখল থাকা সম্পত্তি আদালতের রায়ে ফিরে পাই। ওই ভূমির ২টি দোকান নির্মাণ করে আমরা ভোগদখল করে আসছি। ৪৬ নং খতিয়ানের ৭৪৭ নং দাগে তাঁর শ্বাশুড়ির ২৪ শতক জায়গার ২০ শতক জীবদ্দশায় বিক্রি করেছেন। অবশিষ্ট চার ৪ শতক ভূমি তারা ভোগ দখল করে আসছেন। কয়েক বছর আগে থেকে ওই ৪ শতক ভূমির দখল দিতে লোলুপ দৃষ্টি পড়ে নগরের দক্ষিণ কাজলশাহ এলাকার ১৬৩/১ নং বাসার মৃত ওয়ারিছ আলীর ছেলে আতাউর রহমান আনার। তিনি নানা টালবাহানায় এই জায়গা দখলে নিতে চেষ্টা চালান। তাকে শেল্টার দিচ্ছেন ১১ নং ওয়ার্ডে গত নির্বাচনের কাউন্সিলর প্রার্থী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা আব্দুর রহিম মতছির ও তার অনুসারী আরাফাত অপু।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়- সম্প্রতি স্থানীয় একটি ক্লাবের নামে ওই ৪ শতক জায়গা জবরদখলের চেষ্টা চালান আনা। ক্লাবের নামে সাইনবোর্ডও স্থাপন করে দেন। অভিযোগ পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সাইনবোর্ডটি অপসারণ করে। দুপক্ষকে নিজেদের যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে রিকাবীবাজার ক্যাম্পে যাওয়ার নির্দেশ দেয় সেনা বাহিনী। সেখানে যাওয়ার পর ভূমির মালিকানা দাবিদার হয়ে নামমাত্র একটি স্কেচম্যাপ দেখান আনা। কাগজপত্র ঠিক না থাকায় তাকে আটক করে কোতোয়ালি পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। কিন্তু ৩ দিন পর আনা জামিনে বেরিয়ে আবারো জায়গা দখলের পায়তারা শুরু করেছেন। তিনি ভুক্তভোগী নারী ও তার পরিবারের সদস্যদের নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন। এতে সালেহা ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এছাড়া আনার ভয়ে সাহেলা বেগমের পরিবারের প্রবাসী সদস্যরাও দেশে আসতে পারছেন না, বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সালে আমাদের সম্পত্তি থেকে কয়েকটি এলাকার পানি প্রবাহের সুবিধার জন্য ৪ শতক জমি সিলেট সিটি কর্পোরেশনকে দান করি। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ৫০ লক্ষ টাকারও বেশি। এরপরও ২০১৮ ও ২০১৯ সালে এবং বিগত কয়েকদিন আগেও দক্ষিণ কাজল শাহ এলাকায় পানি প্রবাহ ও রাস্তা সংস্কারের কাজে সিলেট সিটি কর্পোরেশনকে জমি প্রদান করি। অথচ তারা নিজেরাই এখন সমস্যার সম্মুখিন।
এ অব্স্থায় আনাকে দ্রুত শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার জন্য প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন সালেহা বেগম।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D