১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭:৩৮ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৯, ২০২২
সব শ্রেণীর গ্রাহকের গ্যাসের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বিতরণ কোম্পানিগুলো। আবাসিক গ্রাহকের ব্যবহৃত প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ৯ টাকা ৩৬ পয়সা থেকে ২০ টাকা ৩৫ পয়সা এবং শিল্পে ব্যবহৃত প্রতি ঘনমিটারের গ্যাসের দাম ১০ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২৩ টাকা ২৪ পয়সা নির্ধারণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সাথে ক্যাপটিভে (শিল্পকারখানায় নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাস) ১৩ টাকা ৮৫ পয়সার স্থলে ৩০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬টি গ্যাস বিতরণ কোম্পানির মধ্যে তিনটি তিতাস, বাখরাবাদ ও পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি গত সপ্তাহে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) পৃথকভাবে এই প্রস্তাব জমা দিয়েছে। বাকি তিনটি কোম্পানির প্রস্তাব জমা দেয়ার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ প্রস্তাব আমলে নিলে আবাসিকে এক চুলা ৯২৫ টাকা থেকে বেড়ে ২ হাজার টাকা এবং দুই চুলার ক্ষেত্রে ৯৭৫ টাকা থেকে বেড়ে ২ হাজার ১০০ টাকা হবে। পেট্রোবাংলার এক দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
এ দিকে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আবারো মানুষের আয় কমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনিতেই গত দুই বছরে করোনার প্রাদুর্ভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য মন্দা ছিল। এ অবস্থায় গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে সব শ্রেণীর পণ্যের দাম বেড়ে যাবে। একই সাথে আবাসিকে গ্রাহকদের দুর্ভোগ আরো বেড়ে যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সব শ্রেণীর গ্রাহকের গ্যাসের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বিতরণ কোম্পানিগুলো। আবাসিক গ্রাহকের ব্যবহৃত প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ৯ টাকা ৩৬ পয়সা থেকে ২০ টাকা ৩৫ পয়সা এবং শিল্পে ব্যবহৃত প্রতি ঘনমিটারের গ্যাসের দাম ১০ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২৩ টাকা ২৪ পয়সা নির্ধারণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সাথে ক্যাপটিভে (শিল্পকারখানায় নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাস) ১৩ টাকা ৮৫ পয়সার স্থলে ৩০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬টি গ্যাস বিতরণ কোম্পানির মধ্যে তিনটি তিতাস, বাখরাবাদ ও পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি গত সপ্তাহে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) পৃথকভাবে এই প্রস্তাব জমা দিয়েছে। বাকি তিনটি কোম্পানির প্রস্তাব জমা দেয়ার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ প্রস্তাব আমলে নিলে আবাসিকে এক চুলা ৯২৫ টাকা থেকে বেড়ে ২ হাজার টাকা এবং দুই চুলার ক্ষেত্রে ৯৭৫ টাকা থেকে বেড়ে ২ হাজার ১০০ টাকা হবে। পেট্রোবাংলার এক দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
এ দিকে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আবারো মানুষের আয় কমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনিতেই গত দুই বছরে করোনার প্রাদুর্ভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য মন্দা ছিল। এ অবস্থায় গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে সব শ্রেণীর পণ্যের দাম বেড়ে যাবে। একই সাথে আবাসিকে গ্রাহকদের দুর্ভোগ আরো বেড়ে যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
পেট্রোবাংলা সূত্র জানিয়েছে, গ্যাস সঙ্কট কাটাতে উচ্চমূল্যে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। এতে বিতরণ কোম্পানিগুলোর ভর্তুকির চাপ বেড়ে গেছে। এ ভর্তুকির চাপ সামলাতে গত মাসে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে আর্থিক মুদ্রা ও মুদ্রা বিনিময় হার সংক্রান্ত কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিল। এরপর ৩ জানুয়ারি জ্বালানি বিভাগ গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব বিইআরসিতে পাঠানোর জন্য পেট্রোবাংলাকে নির্দেশনা দেয়। পরে পেট্রোবাংলা থেকে আমদানি করা এলএনজি ও দেশীয় গ্যাসের দাম, ভ্যাট-ট্যাক্স, বিভিন্ন তহবিলের চার্জ ধরে একটা খসড়া হিসাব বিতরণ কোম্পানিগুলোতে ৫ জানুয়ারি পাঠানো হয়। এরপর বিতরণ কোম্পানিগুলো নিজেদের আয়-ব্যয় হিসাব উল্লেখ করে প্রায় একই ধরনের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব কমিশনে পাঠায়। একই সঙ্গে কোম্পানিগুলো নিজেদের পরিচালন ব্যয় (মার্জিন) বৃদ্ধির প্রস্তাব জমা দিয়েছে। সর্বশেষ গত ১৭ জানুয়ারি বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি তাদের প্রস্তাব বিইআরসিতে পাঠিয়েছে।
প্রস্তাবগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তিনটি বিতরণ কোম্পানি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রায় অভিন্ন প্রস্তাব জমা দিয়েছে। সার ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটারে ১২৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৪ টাকা ৪৫ পয়সা থেকে ৯ টাকা ৬৬ পয়সা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। শিল্পে ব্যবহৃত ক্যাপটিভে ১১৬ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। হোটেল-রেস্টুরেন্টে ১১৭ শতাংশ দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। এ খাতে ২৩ টাকা থেকে ৫০ টাকায় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে ১১৭ শতাংশ বাড়িয়ে ১৭ টাকা ৪ পয়সা থেকে ৩৭ টাকা ২ পয়সা, সিএনজিতে ১১৪ শতাংশ বাড়িয়ে ৩৫ টাকা থেকে ৭৫-৭৬ টাকা এবং আবাসিক মিটারে ১১৫ শতাংশ বাড়িয়ে ১২ টাকা ৬২ পয়সা থেকে ২৭ টাকা ৩৭ পয়সা করার প্রস্তাব করেছে বিতরণ কোম্পানিগুলো। একই সাথে তিতাস তার পরিচালন মার্জিন ২৫ পয়সা থেকে বড়িয়ে ৩৮ পয়সা, জালালাবাদ ৫৫.১৮ পয়সা এবং বাখরাবাদ ২৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭৬.৮৪ পয়সা করার আবেদন করেছে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D