এড. মুজিব সম্পর্কে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর তথ্য : জড়িতদের আইনের আওতায় আনার তাগিদ

প্রকাশিত: ২:৪০ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১৫, ২০১৯

এড. মুজিব সম্পর্কে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর তথ্য : জড়িতদের আইনের আওতায় আনার তাগিদ

১৫ আগস্ট ২০১৯, বৃহস্পতিবার : বিষয়টি খুব ভালো করে খেয়াল করে দেখেন! সিলেট শহর থেকে কোরবানির একটি গরু কিনে নিয়ে ঈদ করার উদ্দেশ্যে এড. মুজিব নিজের গ্রামের বাড়িতে পৌছানোর উদ্দেশ্যে একটি ছোট্ট পিকআপ যোগে বাড়িতে যাচ্ছিলেন গ্রামের একটি কাচা সড়ক দিয়ে। এই সড়ক ঠিকে রাখার স্বার্থে বড় গাড়ি যাতে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য উক্ত সড়কের একটি অংশে গ্রামের কিছু লোক প্রায়ই ব্যারিকেড দিয়ে রাখেন। কিন্তু জেলা পরিষদ সদস্য মুজিবুর রহমান নিজ গাড়ি নিয়ে যখন এই সড়কে প্রবেশ করেন তখনকার সময় এই ব্যারিকেড না থাকায় তিনি বিনা-বাধায় উক্ত সড়ক দিয়ে গ্রামে প্রবেশ করে বাগলা বাজারে আসিলে ঐসময় গ্রামের একজন লোক গাড়িটি দেখতে পায় এবং এই গাড়ি নিয়ে কে যাচ্ছেন তা দেখতে গাড়ি আটকাতে সিগনাল দেন। যখনই এড. মুজিবকে তিনি দেখতে পান, তখন তাকে এই রাস্তায় গাড়ি ঢুকানো নিষেধ বলে জানান। প্রতি উত্তরে এড. মুজিব জানান আমি খেয়াল করিনাই এবং এই সড়ক ব্যতিরেকে বাড়িতে যাবার বিকল্প আর সুযোগ না থাকায় তিনি বাধ্য হয়ে এ রাস্তায় চলে এসেছেন বলে জানান।

কিন্তু উনার এই উক্তিকে কতিপয় ব্যক্তি অন্যভাবে উপস্থাপন করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা চালান। এক পর্যায়ে তিনি বাড়িতে পৌছে গাড়ির ভাড়া পরিশোধ করে ড্রাইভারকে বিদায় করে দেন। ড্রাইভার সড়ক দিয়ে সিলেট ফেরার পথে সড়কের একটি অংশে তালার সাহায্যে ব্যারিকেড দেখতে পান। তখন তিনি এড. মুজিবকে বিষয়টি অবগত করেন। এড. মুজিব বিষয়টি শুনে কে বা কারা এই তালা লাগিয়েছে তাদের তথ্য জানতে পরিচিত কয়েকজন ব্যক্তির নিকট মোবাইল ফোনে খবর নিতে থাকেন এবং তখন তাদের পরিচয় জানতে পেরে যারা তালা লাগিয়েছেন তাদেরকে তালা খুলে গাড়ি চালককে বিদায় দিতে অনুরোধ করেন কিন্তু তালা লাগানো ব্যক্তিরা তা অস্বিকার করে তাহারা কেও এর দায়িত্ব নিতে চায়না দেখে আর কোন উপায় না দেখে এবং গভীর রাত প্রায় ১টা বেজে যাওয়ার ফলে বাধ্য হয়ে এড. মুজিব স্থানীয় কুশিয়ারা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের কর্মকর্তার সাহায্য চাইলে পুলিশের তৎপরতায় এবং স্থানীয় কয়েকজন লোকের সহযোগীতায় চালক গাড়ি নিয়ে ব্যারিকেড অতিক্রম করে চলে যান। প্রকৃত এই ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে এবং এলাকায় সিলেট জেলা পরিষদের সম্মানীত সদস্য এড. এম মুজিবুর রহমান মুজিবের অবদান এবং উন্নয়নকাজ বাধাগ্রস্থ করতে কিছু স্বার্থান্বেষী লোক ঘোলাপানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা করছেন, যা মোটেও কাম্য না। এলাকাবাসী তা ভালো চোখে দেখছেন না। এলাকাবাসীর দাবী এলাকার সার্বিক উন্নয়নে অতীতের মত ভবিষ্যতেও এড. মুজিবুর রহমান মুজিব বিশেষ অবদান রাখবেন এবং স্বার্থান্বেষী লোকেরা এলাকার স্বার্থে তাদের এই কার্যক্রম পরিহার করবেন ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার থেকে বিরত থাকার জোর দাবী সচেতন এলাকাবাসীর।

বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারে এখনও যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনার তাগিদও দেন এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে সিলেট জেলা পরিষদের সদস্য এড. এম মুজিবুর রহমান মুজিব বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি, তথ্য আদান-প্রদান সহজ করেছে। আবার এই মাধ্যম অপপ্রচার, বিভ্রান্তি ছড়ানোর ক্ষেত্র হিসেবেও অসাধুরা ব্যবহার করছে। আমাকে ঘিরে একটি অপশক্তি নানা ধরনের অপপ্রচার চালাতে দেখা গেছে। তাদের অপপ্রচার মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিটিআরসি ও আইন-শৃঙ্খলা প্রয়োগকারী সংস্থাকে অবহিত করেছি।

কেও যেন এই মাধ্যমে ভুল তথ্য দিয়ে প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, সে বিষয়েও এলাকাবাসীকে সচেতন থাকতে অনুরোধ জানিয়েছেন এড. মুজিব

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট