২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১০:০৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০১৮
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তথা সড়ক-সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ১০ জন সংসদ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ফেব্রুয়ারিতে ভারত সফরে আসছেন। আরএসএস থেকে পাঠানো বিজেপি নেতা রাম মাধবের সঙ্গে বৈঠকের পরে কলকাতায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও আলোচনায় বসার কথা রয়েছে তাদের।
বছর শেষে বাংলাদেশে ভোট। তার আগে শেখ হাসিনার তরফ থেকে এই দৌত্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়। সূত্রের মতে, এই সফরে একই সঙ্গে দু’টি উদ্দেশ্য পূরণ করতে চাইছেন আওয়ামী লীগ শীর্ষ নেতৃত্ব। আরএসএস-এর মাধ্যমে মোদী সরকারের কাছে বার্তা পৌঁছানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন বিএনপি-জামায়াতে ইসলামি জোটের নেত্রী খালেদা জিয়া। সংখ্যালঘু তাসও খেলা হচ্ছে বিএনপি-র পক্ষ থেকে। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক ভাবে বিজেপির কাছাকাছি পৌঁছতে চেষ্টা করছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দলও। খবর আনন্দবাজারের।
রাম মাধব বিজেপির প্রভাবশালী নেতা। তিস্তা চুক্তির মতো ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বকেয়া বিষয়গুলি দ্রুত সম্পাদন করার একটা মরিয়া চেষ্টা ভোটের আগে করছেন হাসিনা। কূটনৈতিক সূত্রের বক্তব্য, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিচার করে হেফাজত ইসলামের মতো সংগঠনকে গুরুত্ব দিতে হচ্ছে আওয়ামী লীগকে— এ কথা ঠিকই। ভোটের দিকে তাকিয়ে ‘নরম ইসলাম’-পন্থাকে গুরুত্ব দিয়ে চলাও হচ্ছে কিছু ক্ষেত্রে। কিন্তু ভারতের বর্তমান শাসক দল হিন্দুত্ববাদী হওয়া সত্ত্বেও, ভোটের আগে মোদী সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে পাওনা আদায় করাটা হাসিনা সরকারের বাধ্যবাধকতার মধ্যে পড়ছে।
সূত্রের মতে, কেন্দ্রীয় সরকারকে জানিয়েই মমতার সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি স্থির করা হচ্ছে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে। কিছু দিন আগেই সে দেশের পানিসম্পদ মন্ত্রী তিস্তা নিয়ে বাংলাদেশের সংসদে সরব হয়েছিলেন। পূর্ণমন্ত্রী আনোয়ার হোসেনের অনুপস্থিতিতে তারই বক্তব্য, প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম সে দিন পড়ে শুনিয়েছিলেন। সেখানে বলা হয়েছিল, তিস্তার পানিবণ্টন নিয়ে একটি অন্তর্বর্তী চুক্তির খসড়ার দিকে এগোচ্ছে দু’দেশ।
এই মন্তব্যের পরে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি হয়েছে ঢাকা এবং নয়াদিল্লি উভয় ক্ষেত্রেই। কেন না মমতার সঙ্গে আলোচনার আগে এই ধরনের কোনও বিবৃতি দিয়ে ফেলায় লাভের চেয়ে লোকসানের সম্ভাবনাই বেশি। এই চুক্তি প্রক্রিয়ার অতীত ইতিহাস বলছে— মমতাকে গুরুত্ব না-দিয়ে, তাকে পাশ কাটিয়ে যত বারই অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা হয়েছে, তত বারই মুখ থুবড়ে পড়ছে প্রয়াস। ঠিক সে কারণেই গত বছর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নয়াদিল্লিতে পা দিয়েই বলেছিলেন,‘মমতার সঙ্গে দেখা করার জন্য আমি উদগ্রীব হয়ে রয়েছি।’ সে বার হাসিনা-মমতা বৈঠকে বরফ না-গললেও গুরুত্ব দিয়ে তার সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেছিলেন হাসিনা। এ বার সেই আলোচনারই পরবর্তী ধাপ হিসাবে ওবায়দুল কাদের মমতার শহরে গিয়ে তার সঙ্গে বৈঠক করতে চাইছেন। তাদের রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার বিষয়টিও তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরবেন বলে আওয়ামি লিগ সূত্রে জানা গিয়েছে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D