বন্ধ কুমারগাঁও বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিলেটে অসহনীয় লোডশেডিং

প্রকাশিত: ১২:১৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

বন্ধ কুমারগাঁও বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিলেটে অসহনীয় লোডশেডিং

সিলেটের কুমারগাওয়ে ২২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। একারণে বেড়েছে লোডশেডিং। এ অবস্থা আরও কয়েকদিন থাকতে পারে বলে ধারণা সংশ্লিস্টদের।

এ ব্যাপারে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সিলেট অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী ইমাম হোসেন রোববার রাত ৮টায় বলেন, ৩/৪ দিন ধরে কুমারগাও বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এতে এই কেন্দ্রটিতে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। একারণে লো-ভোল্টেজের সমস্যা হচ্ছে। ভোল্টেজ ঠিক রাখতে লোডশেডিং বাড়াতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, কুমারগাওয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রের বাল্বে সমস্যা হয়েছে বলে শুনেছি। সোমবার বিদেশ থেকে নতুন বাল্ব আসবে। এরপর তা মেরামত করা হবে। তবে এতে কতদিন সময় লাগবে তা আমার জানা নেই।

রোববার সন্ধ্যায় সিলেটে ৬০ মেঘাওয়াটের মতো লোডশেডিং ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, সন্ধ্যায় চাহিদা ছিল ২৫৫ মেঘাওয়াট। ১৯০ মেঘাওয়াটের মতো সরবরাহ পেয়েছি। বাকীটুকু লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

সন্ধ্যার পর বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ায় লোডশেডিংও বেড়ে যায় বলে জানান তিনি। তবে কুমারগাও বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু থাকলে এতো লোডশেডিং হতো না বলে দাবি এই কর্মকর্তার।

নগরের জিন্দাবাজার এলাকার দর্জি ব্যবসায়ী সাজ্জাদ হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, দিনের বেশিরভাগ সময় বিদ্যুৎ থাকে না। ফলে গ্রাহকদের চাহিদামত কাপড় ডেলিভারি দিতে পারছি না। সারাদিনেও একটা পেন্ট সেলাই করা যায় না। একারণে ব্যবসার অবস্থা খুবই খারাপ। অথচ সব জিনিসপত্রের দাম বেড়েই চলছে। আমাদের খেয়ে বাঁচাই দায় হয়ে ওঠেছে।

টিলাগড় এলাকার গৃহিনী সালেহা আক্তার বলেন, দিনের চেয়ে রাতে বেশি লোডশেডিং হয়। ফলে বাচ্চাকাচ্চারা পড়ালেখা করতে পারে না। স্কুলের হোম ওয়ার্ক করে নিতে পারে না। এমন অবস্থা চলতে থাকলে পরীক্ষার ফলও খারাপ হবে।

গ্রাহকরা জানান, সিলেটে দিনে-রাতে প্রায় প্রতি ঘণ্টাতেই বিদ্যুৎবিভ্রাট চলছে।শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলের চিত্র আরও ভয়াবহ। পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা দিনে ৫ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ছেন।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট