শাহ আব্দুল করিমের প্রয়াণ দিবসে “স্মরণে বাউল করিম” অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ৮:৫৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

শাহ আব্দুল করিমের প্রয়াণ দিবসে “স্মরণে বাউল করিম” অনুষ্ঠিত

শাহ আব্দুল করিমের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে “স্মরণে বাউল করিম” এ আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টায় শারদা হল মহড়া কক্ষে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সিলেট জেলা সভাপতি নাজিকুল ইসলাম রানার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মলয় চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাসদ জেলা আহ্বায়ক আবু জাফর, গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজের সহকারী অধ্যাপক জান্নাত আরা খান, জৈন্তাপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক ও চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সহ সভাপতি জহর সিংহ। প্রারম্ভিক বক্তব্য রাখেন কবি মেঘদাদ মেঘ।

আলোচনা সভা শেষে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনা করেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ভাটি অঞ্চলের মানুষের জীবনের সুখ দুঃখ প্রেম-ভালোবাসার পাশাপাশি শাহ আব্দুল করিমের গান কথা বলে সকল অন্যায়, অবিচার, কুসংস্কার আর সাম্প্রদায়িকতার বিরূদ্ধে।

বাউল শাহ আব্দুল করিম কেবল বাউল ছিলেন না।তিনি ছিলেন এক প্রতিবাদী গনসংঙ্গীত শিল্পী।যা অন্য বাউলদের ক্ষেত্রে তেমন দেখা যায় না।তাঁর রচনায় সেই প্রতিবাদী সমাজ সচেতন চিন্তা ফুটে উঠে।

বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় একটি চিহ্নিত সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী আবহমানকালের বাংলার সংস্কৃতি ধ্বংস করে বিজাতীয় সংস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তৌহিদী জনতার নামে এই চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন, ভাস্কর্য, মাজার- মন্দিরে হামলা-ভাংচুর, ভিন্ন মতাবলম্বীদের হত্যা, মেয়েদের খেলা বন্ধ, বাউলমেলাসহ নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনে হামলা-বাধাসহ কবর থেকে লাশ তুলে পুড়িয়ে ফেলার মতো নৃশংস ঘটনা ঘটিয়েছে। এইসব অপরাধীদের বিচারের আওতায় না আনায় এরা দ্বিগুণ উৎসাহে এই ঘৃণ্য কাজ করে যাচ্ছে। বক্তারা বলেন,সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড বন্ধ রেখে সুস্থ সমাজ নির্মাণ করা সম্ভব নয়।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট