সিকৃবি উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা

প্রকাশিত: ৪:৪১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

সিকৃবি উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলামের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে আন্দোলন আরও জোরালো হয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছেন আন্দোলনকারীরা।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। এর আগে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কেউ কেউ প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ করতে পারেননি বলে জানা গেছে।

আন্দোলনকারীদের কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের একটি অংশ অংশ নিয়েছেন। এ নিয়ে টানা অষ্টম দিনের মতো মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বর্তমান উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি আন্দোলনকারীদের।

সোমবারের অবস্থান ও মানববন্ধন কর্মসূচিতে অধ্যাপক ড. এমদাদুল হকের সভাপতিত্বে এবং জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ছিদ্দিকুল ইসলাম, সাদা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, সাবেক সভাপতি মাহবুব ইকবাল, আতাউর রহমান ও অধ্যাপক ড. নাজমুল হক।

কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি গাজী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মোহাম্মদ নেওয়ামত উল্লাহ, বাছিত উদ্দিন ও আশফাক আহমেদ।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য দেন সিকৃবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক সানাউল হোসেন সনি, যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন, আশরাফুল ইসলাম ও গোলাম রাব্বানী।

বক্তারা উপাচার্যের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত এবং অবিলম্বে তাকে অপসারণের দাবি জানান। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান তারা।

আন্দোলনকারীরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট