|
প্রকাশিত: ৬:৫৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২, ২০২৬
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রবাসফেরত হারুন রশিদকে (৩৫) ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আসামি করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার ছোট ভাই হাফিজ মো. সুলেমান আহমদ। একই সাথে তিনি এ ষড়যন্ত্রের মূল কারিগর তাদের প্রতিবেশী আম্বিয়া আহমদের স্ত্রী সাজনা বেগম বলেও উল্লেখ করেন।
রোববার (২ আগস্ট) বেলা ২টায় সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন হাফিজ মো. সুলেমান আহমদ।
লিখিত বক্তব্যে সুলেমান আহমদ বলেন, গোয়াইনঘাট উপজেলার নয়াপাড়া (বীরমঙ্গল) গ্রামের বাসিন্দা হারুন রশিদ। একই গ্রামের সাজনা বেগমের বাড়িতে গত ১৬ মে সংঘটিত একটি হত্যাকান্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে প্রধান আসামি করা হয় হারুনকে। পরে র্যাব তাকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে হারুন কারাগারে রয়েছেন। তবে ওই ঘটনার সঙ্গে হারুন রশিদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
সংবাদ সম্মেলনে সুলেমান বলেন, গত মে মাসে গণমাধ্যমে ‘গোয়াইনঘাটে নাতনিকে ঘর থেকে তুলে নিতে বাধা দেওয়ায় দাদিকে হত্যা’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ মূলত মামলার বাদী ও পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি বলেন, হত্যাকান্ডের প্রকৃত কারণ এখনো উদঘাটিত হয়নি এবং তদন্তে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপেক্ষিত রয়েছে।
সুলেমান আহমদ অভিযোগ করেন, হারুন রশিদকে পরিকল্পিতভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ঘটনার রাতে হারুন রশিদ নিজ বাড়িতে ছিলেন এবং খবর পেয়ে পরে নিহত দিলারা বেগমের বাড়িতে গিয়ে তার স্বজনদেরকে সমবেদনা জানান। সুলেমান বলেন, হারুন যদি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতেন, তাহলে তিনি ঘটনাস্থলে যেতেন না কিংবা আত্মগোপন করতেন।
সংবাদ সম্মেলনে সুলেমান আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ ও ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে। বিশেষ করে একই গ্রামের আলকাছ মিয়া, আফসার মিয়া, কাওছার মিয়া ও হিরা লাল এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ ওইসব ব্যক্তির সাথে সাজনা বেগমের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। আর এ বিষয়টি নিয়ে সাজনা ও তার শাশুড়ির মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো।
সুলেমান আহমদ অভিযোগ করেন, ঘটনার পর স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে বৈঠকের পরই হারুন রশিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক। হত্যাকান্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে আলকাছ মিয়া, সাজনা বেগম, তার দেবর কাওছার মিয়া, জা দিলারা বেগম ও হিরা লালকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়ে সুলেমান আহমদ বলেন, প্রয়োজনে এসব ব্যক্তিদের ডিএনএ পরীক্ষা এবং নিহত দিলারা বেগমের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত করা হোক।
সংবাদ সম্মেলনে সুলেমান আহমদ সরকার, আদালত এবং পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং হারুন রশিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D