|
প্রকাশিত: ৫:৫৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৯, ২০২৬
নিজের ছেলে হত্যা মামলার প্রকৃত আসামিদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি এবং মামলায় নিরপরাধ লোকজনকে জড়িয়ে হয়রানি না করার আহ্বান জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাই ইউনিয়নের বাঘবাড়ি এলাকার বাসিন্দা মো. আজির উদ্দিন।
বুধবার (২৯ জুলাই) বেলা আড়াইটায় সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মো. আজির উদ্দিন বলেন, গত ২৭ এপ্রিল বেলা ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সিলেটের কদমতলী কেন্দ্রিয় বাস টার্মিনালে হওয়া সংঘর্ষে তার ছেলেসহ দুইজনকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে এবং পিটিয়ে হত্যা করা হয়। শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি ময়নুল ইসলাম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন গ্রুপের অনুসারী আন্তঃজেলা মিতালি পরিবহণ ও হবিগঞ্জ এক্সপ্রেসের শ্রমিক ও কতিপয় শ্রমিকরা ওই হামলায় জড়িত। হামলাকারীরা ময়নুল ও রাজনের নির্দেশে হামলা চালিয়ে বাসের কাউন্টার ও বেশ কয়েকটি বাস ভাঙচুর করে লাখ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে। তারাই নিরীহ শ্রমিকদের ওপর হামলা চালিয়ে তার ছেলেসহ দুই শ্রমিককে হত্যা করে এবং আরও কয়েকজন শ্রমিক আহত হন।
তিনি বলেন, হামলায় আহত হয়ে তার ছেলে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সময় পরিবহণ শ্রমিক নেতাদের কয়েকজন হাসপাতালে গিয়ে ছেলেকে উন্নত চিকিৎসা দেয়ার কথা বলে তাকে থানায় নিয়ে বিভিন্ন কাগজে স্বাক্ষর ও টিপসই নেয় এবং তার জাতীয় পরিচয়পত্র রেখে চলে যেতে বলে। গত ৭ মে সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার ছেলে মারা যায়। তার দাফন সম্পন্নের পর তিনি আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে জানতে পারেন আগের দিন ৬ মে দক্ষিণ সুরমা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ওই মামলার বাদী তিনি নিজে। মামলায় আসামি কারা তাও তিনি জানেন না।
তিনি দাবি করেন, ওই মামলায় নিরীহ মানুষকে আসামি করা হয়েছে। মূলত যারা মামলা করিয়েছে, সেই ময়নুল ও রাজনরাই তার ছেলে হত্যার জন্য দায়ী। আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়ার স্থিরচিত্র ও ভিডিও দেখে প্রকৃত আসামিদের তিনি শনাক্ত করেছেন। শ্রমিক নেতা ময়নুল ও রাজন নিজেদের রক্ষায় তাকে বাদী বানিয়ে মামলাটি সাজিয়েছেন। ওই মামলায় হামলার ঘটনার সময় দেখানো হয়েছে সকাল ১১টা। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে হামলা চলে বেলা ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। আর মামলায় ঘটনাটিকে সংঘর্ষ দেখানো হলেও এটি ছিল এক তরফা হামলা।
মো. আজির উদ্দিন বলেন, তাকে বাদী বানিয়ে দায়েরকৃত মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে জগন্নাথপুর রুটে বাস মালিক সমিতির নেতা শাহজাহান ও শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিম, রিয়াজুল ইসলাম রাজন, আবুল হোসেন আবুল, হোসাইন মোহাম্মদ সুন্দর আলীসহ নিরীহ লোকজনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্তরা ময়নুলের বিরোধী বলয়ের। পরে এ ঘটনায় তার পুত্রবধূ (নিহত দেলওয়ারের স্ত্রী) রাজিয়া আক্তার বাদী হয়ে ২৬ জনের নামোল্লেখ করে ও অজ্ঞাত ৩০/৪০ জনকে আসামি করে আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি তার ছেলে হত্যার ঘটনার প্রকৃত আসামিদের বিচার চান।
তিনি বলেন, মূলত আসল হত্যাকারীদের আড়াল করতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ঘটনাটি আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছে। তাই প্রকৃত হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনতে তিনি প্রশাসন তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D