সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎ অফিস ভাংচুরের অভিযোগ

প্রকাশিত: ৭:৪২ অপরাহ্ণ, জুন ৩০, ২০২৬

সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎ অফিস ভাংচুরের অভিযোগ

সুনামগঞ্জের শাল্লায় লোডশেডিংয়ের কারনে ব্রাজিল বনাম জাপান ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ খেলা দেখতে না পেরে, পল্লী বিদ্যুতের সাব স্টেশন ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার (২৯ জুন) দিবাগত রাত অনুমান সাড়ে ১১ টায় শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত আনন্দপুরে অবস্থিত পল্লী বিদ্যুৎ সাব স্টেশন ভাংচুর করা হয়।

অফিস ও স্থায়ীয় সূত্রে জানাযায়, পল্লী বিদ্যুতের চাহিদা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট এরিয়ায় পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সাপ্লাই না থাকায় লোডশেডিং দিতে হয়েছিল। ব্রাজিল বনাম জাপানের খেলা শুরুর ৩০ মিনিট পার হলেও বিদ্যুৎ না পেয়ে এলাকার লোকজন অফিসের বাহিরের গেইটে সামনে হট্টগোল করে। এবং কিছু ইট পাটকেল নিক্ষেপ করলে দুয়েকটা জানালার গ্লাস ভেঙ্গে খেলার দর্শকশ্রোতা চলে যায়৷ পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও গনমান্যব্যক্তি বিদ্যুৎ অফিসে আসেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য বাবলু রায় বলেন, ব্রাজিলের খেলা দেখার জন্য মানুষের ব্যাপক উৎসাহ ছিল। কিন্তু কারেন্ট না থাকায় এলাকাবাসী খেলা দেখতে পারছিল না। পরে শুনেছি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ঝামেলা হয়েছে। আমরা খবর শুনে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যাই তবে বিদ্যুৎ অফিসের লোক ছাড়া কাউকে ঘটনাস্থলে পাইনি।

দিরাই-শাল্লার পল্লী বিদ্যুতের এ্যাসিসন্টেন্ট জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) গিয়াস উদ্দীন জানান, খেলার সময় বিদ্যুৎ ছিল না বিধায় এলাকার ৭০-৮০ জন মানুষ অফিসে হামলা করে ইট পাটকেল দিয়ে জানালা ভাংচুর করে। আমাদের অফিসের লোকজন থানায় যোগাযোগ করলে তেমন রেসপন্স না পেয়ে ইউএনও স্যারকে ফোন দেওয়ার পর পুলিশ আসে। আমরা অফিসের সিসি ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া করব।

এ তথ্যটি নিশ্চত করেন শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) রোকিবুজ্জামান বলেন, এই খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠাই। দুয়েকটা জানালা ভাংচুর হয়েছে। যদি উনারা লিখিত অভিযোগ দেন তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস জানান, আমার কাছে তথ্য আসা মাত্রই ওসি সাহেবকে বলি এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে জানাই। পুলিশ সহ সবাই সম্মিলিত ভাবে বিদ্যুৎ অফিসের নিরাপত্তা দিতে বলা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিবেশ শান্ত।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট