২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১০:৫৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৫
গাজায় ৭৫০ বছরের পুরোনো একটি মসজিদ বোমায় গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েল। এ হামলার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে অনলাইনেও। সেই ভিডিও যাচাই করে খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ধ্বংস হয়ে গেছে ১৩শ শতাব্দীতে নির্মিত ঐতিহাসিক মসজিদটি। তবে মসজিদে হামলায় কোনো হতাহত হয়েছে কি না, কিংবা এ বিষয়ে আর বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি আল জাজিরার প্রতিবেদনে।
এতে বলা হয়, মামলুকরা ছিল মিসরের ১২ শতকের শাসক। ১৩ শতকের শেষদিকে মিসরের শাসক মামলুকরা মসজিদটি তৈরি করেছিলেন। শেখ আব্দুল্লাহ আল আয়বাকির নামানুসারে এর নাম রাখা হয়েছিল আয়বাকি মসজিদ। এটি গাজায় আয়বাকি মসজিদ নামে পরিচিত ছিল। গাজার মানুষের কাছে এই মসজিদটি ছিল একটি গৌরবের প্রতীক।
কয়েকদিন ধরে দুই বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলার শিকার হচ্ছে গাজা সিটি। ইসরায়েলি বাহিনীর প্রবল বোমাবর্ষণ ও গুলির মুখে হাজার হাজার মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, হয়তো আর কখনও ফেরা হবে না ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া ঘরে।
মঙ্গলবার ইসরায়েলি সেনারা বোমাবর্ষণের পর ট্যাংক ও পদাতিক বাহিনী নিয়ে শহরে প্রবেশ করে। ওই দিনই অন্তত ৯১ ফিলিস্তিনি নিহত হন। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উপকূলীয় সড়কে পালানোর চেষ্টা করা একদল মানুষের গাড়িতেও হামলা চালায় ইসরায়েল।
এদিন শহরের অন্তত ১৭টি ভবন ধ্বংস করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব তুফাহ্ এলাকায় অবস্থিত ৭৫০ বছরের পুরোনো আল-আয়বাকি মসজিদও রয়েছে। ইসরায়েলি হামলায় মসজিদটি গুঁড়িয়ে যাওয়ার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এক্স-এ লিখেছেন, গাজা জ্বলছে। মানবাধিকার সংস্থা ইউরো-মেড মনিটর জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনারা অন্তত ১৫টি বিস্ফোরকভর্তি রোবট ব্যবহার করছে, যা একেকটি সর্বোচ্চ ২০টি বাড়িঘর ধ্বংস করতে সক্ষম।
গতকাল মঙ্গলবার জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা চালাচ্ছে। তা সত্ত্বেও ফিলিস্তিনি এ উপত্যকায় বর্বরতা অব্যাহত রেখেছে তারা। এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি আগ্রাসনে ৬৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং প্রায় দুই লাখ মানুষ আহত হয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীকে ধ্বংস করার জন্য ইসরায়েলি নেতৃত্বের ‘বিশেষ অভিপ্রায়’ স্পষ্ট।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D