স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরুরি ১১ নির্দেশনা

প্রকাশিত: ১০:২৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৫

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরুরি ১১ নির্দেশনা

দেশে এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুর প্রকোপ কোনোভাবেই কমছে না। মৃত্যুর পাশাপাশি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর চাপ।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ৩৮ হাজার ৫২৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মারা গেছেন ১৫৫ জন। এ অবস্থায় ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার বিষয়ে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসানের সই করা চিঠিতে নির্দেশনাগুলো দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে-
১. ডেঙ্গু রোগীদের জরুরি ভিত্তিতে এনএসআই পরীক্ষা করতে হবে। এনএসআই/এন্টিজেন কিটের জন্য সিএমএসডি অথবা সিডিসি সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

২. ভর্তি রোগীদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা (ল্যাবরেটরি ও রেডিওলজি) ২৪ ঘণ্টা হাসপাতালে করার ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. সকল ওষুধ মজুদ সাপেক্ষে হাসপাতাল থেকে সরবরাহ করতে হবে।
৪. সকল রোগীদের একক ওয়ার্ড/কর্ণার কক্ষ/জায়গায় রাখতে হবে।
৫. চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একক ও নির্দিষ্ট মেডিকেল টিম গঠন করতে হবে যারা শুধুমাত্র সকল ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগীদের সার্বক্ষণিক চিকিৎসা প্রদান করবেন।
৬. বহির্বিভাগে একটি কক্ষ নিশ্চিত ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগীর জন্য নির্ধারণ করতে হবে।
৭. আইসিইউতে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে।
৮. মৃত্যুর সংক্ষিপ্ত তথ্য ৬ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতাল পরিচালক ও পরিচালককে (হাসপাতাল, সিডিসি) মোবাইল ম্যাসেজ এবং ই-মেইলের মাধ্যমে জানাতে হবে।
৯. হাসপাতাল পরিচালক, মেয়র (সিটি করপোরেশন/ পৌরসভা) বরাবর হাসপাতালের চারপাশে মশক নিধন ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার জন্য পত্র দিতে হবে।
১০. প্রতি শনিবার সকালে পরিচালকের সভাপতিত্বে ডেঙ্গু সমন্বয় সভা করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।
১১. অন্যান্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রয়োজনে এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে পারবেন। এতে মহাপরিচালকের অনুমোদন আছে।


সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট