দলকে সিলেটের ১৯ আসন উপহার দিতে চাই : আরিফুল হক চৌধুরী

প্রকাশিত: ১০:১০ অপরাহ্ণ, মে ১৫, ২০২৫

দলকে সিলেটের ১৯ আসন উপহার দিতে চাই : আরিফুল হক চৌধুরী


লন্ডন সফর শেষে দেশে ফিরে নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সিলেট সিটি করপোরেশন সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।


বৃহস্পতিবার রাতে নগরের কুমারপাড়াস্থ বাসভবনে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ভিড় কেন। খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে তারা আরিফুল হকের বাসায় যান এবং ফুলে ফুলে শুভেচ্ছা জানান। বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল, শ্রমিক দল, কৃষক দল, ছাত্রদল, জিয়া মঞ্চ’সহ সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।

এই সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমাদের নেতা, দেশনায়ক তারেক রহমান সিলেটের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় দল সুসংগঠিত হয় এবং জনগণের কাছে দলের আদর্শ উপস্থাপনের মাধ্যমে মানুষের মন জয় করা যায়।

তিনি আরও বলেন, আপনাদের দোয়ায় সুন্দরভাবে সফর করে সুস্থভাবে দেশে ফিরেছি। বিমানবন্দরে মানুষের দুর্ভোগ এড়াতে কাউকে না বলে দেশে এসেছি। লন্ডন সফরে দলের প্রধানের সঙ্গে দেখা করেছি। দলকে কিভাবে সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ রাখা যায় সে বিষয়ে আলাপ হয়েছে।

আরিফুল হক চৌধুরী উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, কিছু দলছুট মানুষ দলের ঐক্য নষ্ট করতে নানা প্রোপাগাণ্ডা চালাচ্ছে। এসবে কান দিয়ে দলের মধ্যে বিভাজন তৈরি করা যাবে না। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে নানা বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। নেতা আমাকে বলেছেন- সিলেটে কাউকে আসন বণ্টন করেননি। অন্তর্বর্তী সরকার রোডম্যাপ দিলে দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনী বোর্ড গঠন করা হবে। তখন যাকে দিলে দল সংঘবদ্ধ হবে, দলের জন্য উপকার হবে, তাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে। দল যাকে দিবে তাকে নিয়ে আমরা এগিয়ে যাব।

খুব তাড়াতাড়ি সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি ঐক্যবদ্ধ হবে এমন প্রত্যাশা জানিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন, আমরা আগামী নির্বাচনে দলকে সিলেটের ১৯ আসন উপহার দিতে চাই। এই জন্য সিলেটের একজন অভিভাবক দরকার। আমি নেতার কাছে দাবি করেছি- এমন একজন নেতা দরকার যাকে ঘিরে সিলেটে বিএনপি ঐক্যবদ্ধ হবে এবং সিলেট বিভাগের মানুষ আশার আলো দেখবে। মানুষের আশা আকাঙ্খা বাস্তবায়নের জন্য দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কাউকে সিলেট-১ আসনে চাই। তাকে ঘিরে সিলেটের উন্নয়নের আশা দেখবে মানুষ। এতে সিলেটবাসীর বিগত ১৭ বছরের বঞ্চনার অবসান হবে।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, মহানগর বিএনপির সহসভাপতি সাদিকুর রহমান সাদিক, জেলা বিএনপির সহসভাপতি মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, সহসভাপতি ও জেলা কৃষক দল আহ্বায়ক ইকবাল আহমদ চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী, সিলেট জেলা বিএনপি’র উপদেষ্টা মামুনুর রশীদ মামুন, নিজাম উদ্দিন জায়গীরদার, আব্দুস শুকুর, তাঁতী দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ফয়েজ আহমদ দৌলত, জেলা বিএনপির তাঁতী বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মালেক, জেলা কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বাদশা মিয়া, শ্রমিক দলের জেলা সভাপতি সুরমান আলী, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, মহানগর সভাপতি আব্দুল আহাদ, শ্রমিক দলের বিভাগীয় সদস্য শাহানুর আহমদ, রজব আহমদ, ছাত্রদল নেতা ফখরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা আব্দুর রহিম, সাব্বির চৌধুরী, জেলা শ্রমিক দলের প্রচার সম্পাদক মইনুল ইসলাম অপু চৌধুরী, মন্তাজ হোসেন মুন্না, দেলোয়ার হোসেন দিলু, আলী আহমদ আলী, মামুন আল রশিদ হেলাল, জিয়া মঞ্চ সিলেট জেলার আহ্বায়ক সাহেদ আহমদ, সদস্য সচিব মোস্তাক আহমদ, সদর উপজেলা জিয়া মঞ্চের আহবায়ক জামাল উদ্দিন, শুয়েব হক, মদন মোহন কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক আফজল হোসেন, আব্দুস সাহিদ, জুনেদ আহমদ, জাহাংগীর আলম, রমিজ উদ্দিন  প্রমুখ।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট