সিলেট থেকে কক্সবাজারে গিয়ে নিখোঁজ ৬জন উদ্ধার

প্রকাশিত: ৯:৩৩ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২২, ২০২৫

সিলেট থেকে কক্সবাজারে গিয়ে নিখোঁজ ৬জন উদ্ধার

সিলেটের জকিগঞ্জ থেকে কক্সবাজারে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া ৬জনকে টেকনাফের পাহাড় থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানা এলাকা থেকে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়েছে।

বর্তমানে তারা টেকনাফ মডেল থানায় পুলিশের হেফাজতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন নিখোঁজ খালেদ হাসানের বাবা ও জকিগঞ্জের খলাছড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য সফর উদ্দিন।

তিনি বলেন, আমার ছেলেসহ সবাইকে পাওয়া গেছে। টেকনাফ থানা এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। আমার ছেলে ফোনে কথা বলেছে। সে জানিয়েছে থানায় রয়েছে এবং অনেক কন্নাকাটি করছে।

উদ্ধার হওয়া ৬ জন হলেন-জকিগঞ্জ উপজেলার ৪নং খলাছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম লোহারমহল গ্রামের মৃত লুকুছ মিয়ার ছেলে রশিদ আহমদ(২০), ফারুক আহমদের ছেলে মারুফ আহমদ (১৮), আজির উদ্দিনের ছেলে শাহিন আহমদ (২১), মৃত দুরাই মিয়ার ছেলে এমাদ উদ্দিন (২২), সফর উদ্দিনের ছেলে খালেদ হাসান (১৯) ও মৃত সরবদি’র ছেলে আব্দুল জলিল (৪০)।

এব্যাপারে জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল হক মুন্না বলেন, সিলেট জেলা পুলিশের সার্বিক সহযোগিতায় কক্সবাজার ও টেকনাফ থানা পুলিশ নিখোঁজ ৬জনকে উদ্ধার করেছে। তারা বর্তমানে সেখানে রয়েছেন।

গত ৫দিন আগে কক্সবাজারে কাজের সন্ধানে গিয়ে এ ৬ জন নিখোঁজ হন। তাদের পরিবার জানায়, চট্টগ্রামের এক রাজমিস্ত্রি ঠিকাদারের মাধ্যমে তারা কক্সবাজারে যান। তবে একদিন পর থেকেই ওই ঠিকাদার এবং তার সহযোগীর ফোন নাম্বার বন্ধ, নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায় ওই ৬ জনেরও।

এর আগে চট্রগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় তারা সবাই রাজমিস্ত্রীর কাজ করেছেন বলে তাদের পরিবার জানিয়েছে।

গত ১৫ এপ্রিল বিকেলে তারা কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। ১৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, তারা কক্সবাজার পৌঁছেছেন। এরপর থেকে সবার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এদিকে, মঙ্গলবার দুপুরে নিখোঁজ রশিদ আহমদ একটি নম্বর থেকে কল করে নিখোঁজ এমাদ উদ্দিনের ভাই বাহার উদ্দিনকে জানান- তাদের ইন্দোনেশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বাহার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন- রশিদ আহমদ তাকে বলেছেন যে; টেকনাফ থেকে তাদের ট্রলারে ইন্দোনেশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এরপর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাহার উদ্দিন নিখোঁজদের চার স্বজন কক্সবাজারের টেকনাফ থানায় অপহণের লিখিত অভিযোগ করলে সে থানার পুলিশ উদ্ধার অভিযান শুরু করে।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট