পোল্ট্রি পণ্য আমদানিতে অগ্রিম কর প্রত্যাহারের দাবি

সিলেট বিভাগ

প্রস্তাবিত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের বাজেটে পোল্ট্রি শিল্পের আশা ভঙ্গ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন খামারি ও উদ্যোক্তারা। তাদের দাবি, পোল্ট্রি ফিডের অত্যাবশ্যকীয় কাঁচামাল ‘ভুট্টা’ আমদানিতে অগ্রিম আয়কর এবং ‘সয়াবিন অয়েল কেক’ এর উপর থেকে রেগুলেটরি শুল্ক প্রত্যাহার না হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে শিল্পটি।

শনিবার শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনে এসব অভিযোগ করেন পোল্ট্রি সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা। ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ এবং সিলেট জেলা ডিলার সমিতি যৌথভাবে মানববন্ধনের আয়োজন করে। পাশাপাশি সব ধরনের পণ্য আমদানিতে নতুনভাবে আগাম কর (এ.টি) আরোপ হওয়ায় চরম হতাশা তৈরি হয়েছে পোল্ট্রি শিল্পে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উৎপাদন খরচ কমিয়ে দেশীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি রপ্তানি বাজারে প্রবেশের যে স্বপ্ন তারা দেখছিলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে তা পূরণ হয়নি। প্রস্তাবিত বাজেটে আমাদের প্রধান দাবি ছিলো সয়াবিন অয়েল কেকের ওপর আরোপিত ৫ শতাংশ রেগুলেটরি ডিউটি, কটন সিড ও পাম নাটসের উপর ৫ শতাংশ সিডি ও ৫ শতাংশ এটিভি এবং ভুট্টার ওপর ৫ শতাংশ এআইটি প্রত্যাহার।

বক্তারা বলেন, এসব দাবি পূরণ হলে পোল্ট্রি ফিডের সঙ্গে ডিম ও ব্রয়লার মুরগির উৎপাদন খরচ কিছুটা কমতো। কিন্তু সয়াবিন অয়েল কেক আমদানিতে আরডি এবং ভুট্টা আমদানিতে এআইটি বহাল রাখা হয়েছে। তাছাড়া পাম নাটস বা কারনেল এবং কটন সিডের ওপর থেকে কাস্টমস শুল্ক তুলে নিয়ে নতুন করে ৫ শতাংশ হারে রেগুলেটরি ডিউটি আরোপ করা হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে পোল্ট্রি শিল্প।

মানববন্ধনে ‘কম দামে ফিড চাই’- ‘ডিম ও মুরগির ন্যায্য দাম চাই, ‘পোল্ট্রি বান্ধব বাজেট চাই’ প্রভৃতি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র খামারিরা।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট পোল্ট্রি খামার ডিলার এসোসিয়েশনের সভাপতি হুসেন আহমদ বাবু, সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন, সাবেক সভাপতি আলী হোসেন, নূর মিয়া, শামীম আহমদ, দিলোওয়ার হোসেন, আজম আহমদ, ইমরান হোসেন, তুহিন আহমদসহ সিলেটের ক্ষুদ্র পোল্ট্রি ও মৎস্য খামারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply