প্রচারে প্রতীকের প্রতিকৃতি ছাড়া প্রকৃত ধানের শীষ ব্যবহার করা যাবে না : ইসি

জাতীয়

কোনো দলের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার সময় প্রতীকের প্রতিকৃতি ছাড়া অন্য কোনো কিছু ব্যবহার করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। ফলে এখন থেকে নির্বাচনী প্রচারে বিএনপি সত্যিকারের ধানের শীষ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সত্যিকারের হাতপাখা ব্যবহার করতে পারবে না।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আচরণবিধি নিয়ে কমিশনের সভা শেষে এ মন্তব্য করেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘যেকোনো ধরনের প্রতীকের প্রতিকৃতি ছাড়া অন্য কিছু ব্যবহার করা যাবে না। যেমন, একটি আনারস ব্যবহার করা যাবে না। হাতি ব্যবহার করা যাবে না। হাতি বা আনারসের প্রতিকৃতি ব্যবহার করা যাবে।’

তাহলে বিএনপিও সত্যিকারের ধানের শীষ ব্যবহার করতে পারবে না- সাংবাদিকদের এক বক্তব্যের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘আমরা ওই ভাবে ভেবে করিনি। আমরা এভারেজে ভেবে করছি। এভারেজে যেকোনো ধরনের প্রতীকের প্রতিকৃতি ব্যতিত অন্য কিছু ব্যবহার করতে পারবে না।’

সিটি নির্বাচনে প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন সংসদ সদস্যরা : ইসি

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীদের আচরণ বিধিমালা সংশোধনের খসড়া চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, সংসদ সদস্যরা নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ মে) বিকেলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আচরণবিধি নিয়ে কমিশনের সভা শেষে এ তথ্য জানান ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

সচিব বলেন, ‘সংসদ সদস্যরা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচারে অংশ নিতে পারবেন। তবে সংসদ সদস্যরা সার্কিট হাউজ এবং সরকারি গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন না।’

‘এটি আমাদের নির্বাচন কমিশন থেকে পাস হয়েছে। দ্রুতই এটি আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে’, যোগ করেন ইসি সচিব।

সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বর্তমান আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী, সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা তফসিলের পর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচারে অংশ নিতে পারেন না। তবে ভোট দেওয়ার জন্য তারা কেন্দ্রে যেতে পারেন।

অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা হচ্ছেন- প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, মন্ত্রী, চিফ হুইপ, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা, বিরোধীদলীয় উপনেতা, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ, উপমন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও সিটি করপোরেশনের মেয়র।

Leave a Reply