২৪শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৯:০০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৪
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রেমিকাকে ঘুরতে নিয়ে গিয়ে বন্ধুরা মিলে এক তরুণীকে (২১) সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এঘটনায় দায়ের করা মামলায় পুলিশ প্রেমিকসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গত সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের একটি চা বাগানে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় গত শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ওই তরুণীর মা বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন।
মামলার আসামিরা হলেন- উপজেলার পূর্ব দৌলতপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে নুরুল ইসলাম ওরফে ফাহিম (২৫), একই গ্রামের কুদরত আলীর ছেলে আল আমিন (২৩), উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের ডালিম উদ্দিনের ছেলে প্রেমিক মাহমুদুল হাসান (২০), পূর্ব দৌলতপুর গ্রামের ফইয়াজ আলীর ছেলে রমিজ উদ্দিন (২৮) ও নাফিতখাই গ্রামের বলাই মিয়ার ছেলে সানোয়ার আহমদ (২২)।
মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের ডালিম উদ্দিনের ছেলে প্রেমিক মাহমুদুল হাসান (২০) ও কুদরত আলীর ছেলে আল আমিনকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে।
গত শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নব গোপাল দাশ তাদের বড়লেখা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করেন।
ওই দিন বিকেলে গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে প্রেমিক মাহমুদুল হাসান (২০) বড়লেখা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট মোহাম্মদ জিয়াউল হকের আদালতে স্বীকারোক্তি দেন।
জানা গেছে, উপজেলার নিজবাহাদুরপুর ইউনিয়নের এক তরুণীর সাথে মাহমুদুল হাসানের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি প্রেমিক মাহমুদুল হাসান বেড়ানোর কথা বলে তাকে অহিদাবাদ চা বাগানে নিয়ে যায়। পূর্ব থেকে গোপনে সে তার কয়েকজন বন্ধুকে সেখানে রেখে দেয়। এরপর নির্জন স্থানে নিয়ে জোরপূর্বক সবাই মিলে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় লম্পটরা ধর্ষণের শিকার তরুণীকে তার বাড়ির পাশে ফেলে যায়। পরে ওই তরুণীকে তার পরিবার চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই তরুণী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বড়লেখার শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নব গোপাল দাশ।
তিনি বলেন, ‘ধর্ষণের শিকার তরুণীর মায়ের করা মামলার পরই অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি মাহমুদুল হাসান ও তার বন্ধু আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত শনিবার আদালতে মাহমুদুল হাসান স্বীকারোক্তি দিয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D