৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৫শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৬:১২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৬, ২০২০
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে মফস্বল সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে সাংবাদিক নেতা মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন গাজীর মুক্তির দাবিতে সমাবেশ চলাকালে তিনি অসুস্থ বোধ করেন।
এরপর অসুস্থতা নিয়েই চেয়ারে বসে তিনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
বক্তব্য শেষ পর্যায়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আরও বেশি অসুস্থ বোধ করলে তার নিজস্ব গাড়িতে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার শুরুতেই ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী উপস্থিত সবার কাছে শারীরিক অসুস্থতায় বসে বক্তব্য দেওয়ার জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন।
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, গতকাল প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের হলুদ সাংবাদিকতা না করতে বলেছেন। সাংবাদিকরা হলেন সত্য অনুসন্ধানী, সব সময় সত্য প্রকাশ করেন। আপনার সরকারের সবচেয়ে বড় বন্ধু সাংবাদিকরা। তারা প্রকৃত তথ্য আপনার সামনে তুলে ধরেন। সরকার যখন কথা বলতে দেয় না, সরকার যখন আলোচনা করতে দেয় না, কথায় কথায় জেল-জুলুম করে, সত্য অনুসন্ধানী আপনার সবচেয়ে বড় বন্ধুদের কণ্ঠরোধ করা হয়। তখনই দেশে ইয়োলো জার্নালিজমের সৃষ্টি হয়। তখনই দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান হয়।
সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজী প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজীকে কেন গ্রেফতার করেছেন। আপনি আপনার বন্ধুকেই জেলে পাঠিয়েছেন। আপনার সহায়ককে জেলে পাঠিয়েছেন। জেল-জুলুম এবং অন্যায় আচরণ করে কেউ টিকে থাকতে পারবে না। আমরা চাই আপনি সুস্থ থাকুন।
‘১৪ নভেম্বর নয় আজই সব সাংবাদিকদের মুক্তি দিন। কথা বলো, প্রাণ খুলে কথা বলো, সত্যকে তুলে ধরো। তাহলে দেশের জন্য মঙ্গল হবে। আর না হলে ক্রমেই দেশ জঙ্গিবাদের দিকে যাবে।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের সমালোচনা করে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, গতকাল এখানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বক্তৃতা করেছেন। তিনি সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজীর মুক্তি চেয়েছেন। কিন্তু তিনি একবারও বলেননি, ওনারা ক্ষমতায় এলে এই কালা আইন বাতিল করবেন। কবরে পাঠিয়ে দেবেন।
তিনি আরও বলেন, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কথা বলার অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে। তাহলে প্রকৃত গণতন্ত্র ফিরে আসবে। সাংবাদিকদের সত্য অনুসন্ধান করার সুযোগ দিতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে যত মামলা আছে তুলে নিতে হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে কবরে পাঠাতে হবে। তাহলে আপনার ও দেশের লাভ হবে। দেশ-গণতন্ত্রের দিকে প্রসারিত হবে। আমি আবারও বলছি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আজই কবরে পাঠিয়ে দিন।
বিক্ষোভ সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামসহ সাংবাদিক নেতারা।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মফস্বল সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাখাওয়াত ইবনে মইন চৌধুরী।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D