দুর্নীতির দায়ে চাকরি হারালেন দুই জেলা জজ

প্রকাশিত: ২:৫৩ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৫, ২০১৬

Manual3 Ad Code

ঠাকুরগাঁওয়ের সাবেক জেলা ও দায়রা জজ মো. রুহুল আমিন খোন্দকার এবং খুলনার সাবেক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মঈনুল হককে দুর্নীতি, অসদাচরণ ও অদক্ষতার দায়ে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

Manual8 Ad Code

সরকারি কর্মচারী বিধিমালা মোতাবেক তাদেরকে দোষী সাব্যস্ত করে একই তাদেরকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।

সোমবার আইন মন্ত্রণালয় বরখাস্ত সংক্রান্ত পৃথক দুটি সরকারি আদেশ জারি করে। এর আগে গত ৬ অক্টোবর একই অভিযোগে জামালপুরের সাবেক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. সিরাজুল ইসলামকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।

বরখাস্ত হওয়ার পূর্বেই তাদেরকে বিচারকাজ থেকে প্রত্যাহার করে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করে রাখা হয়েছিল।

পরে তাদের বিরুদ্ধে আনিত দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় নিম্ন আদালতের চারজন বিচারককে চাকরি থেকে বরখাস্তের অনুমোদন দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এদের মধ্যে বরখাস্তকৃত এই তিন বিচারক ছিলেন।

Manual6 Ad Code

তবে এখনো কুমিল্লার সাবেক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) এস এম আমিনুল ইসলামের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিচারকদের নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়টি দেখভাল করে জিএ কমিটি। ওই কমিটির প্রধান হলেন- প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা।

বরখাস্ত হওয়া ওই চার বিচারকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরের জন্য আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

ওই নির্দেশ মোতাবেক সংশ্লিষ্ট চার বিচারকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত করে সেই প্রতিবেদন জিএ কমিটির কাছে পাঠানো হয়।

Manual1 Ad Code

তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জিএ কমিটি আগস্ট মাসে অনুষ্ঠিত ফুলকোর্ট সভায় চার বিচারককে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত দেয়। এরপরই সুপ্রিম কোর্টের ওই অনুমোদন আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

Manual2 Ad Code

আইন মন্ত্রণালয় মো. রুহুল আমিন খোন্দকার ও মঈনুল হককে চাকুরি থেকে বরখাস্তের সার-সংক্ষেপ রাষ্ট্রপতির চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠায়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পরেই তাদেরকে চাকরিচ্যুত করে সরকারি আদেশ জারি করে মন্ত্রণালয়।

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code