২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৬:০৩ অপরাহ্ণ, মে ২৮, ২০২০
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ইতিহাসে বৃহত্তম ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। মানুষ সরকারের কাছে চায়নি, কোথাও যেতে হয়নি, এক টাকা খরচ ছাড়া ও কোনো দেনদরবার ছাড়া মানুষের মোবাইল ফোনে আড়াই হাজার করে টাকা পৌঁছেছে। এটি কখনো কেউ ভাবেনি।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পরিষদ হলে করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া খেলোয়াড়দের মাঝে সরকারের পক্ষ থেকে উপহারসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ একথা বলেন।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে দেশের প্রায় সাত কোটি মানুষ নানাভাবে সরকারি সাহায্য-সহায়তার আওতায় এসেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন ঘটনা কখনো ঘটেনি। দেশের সমস্ত কওমি মাদ্রাসায় ইদের আগে দু’দফায় টাকা দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন মসজিদে টাকা দেওয়া হয়েছে। এভাবে ত্রাণ তৎপরতা আশপাশের কোনো দেশে হয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, এটি একটি খেটে খাওয়া মানুষের দেশ। এখানে কোটি কোটি মানুষ খেটে খায়। করোনা ভাইরাসের কারণে আজ দুই মাসের বেশি সমগ্র বাংলাদেশে প্রায় সমস্ত কর্মকাণ্ড বন্ধ। অনেকে অনেক শঙ্কা-আশঙ্কার কথা বলেছিলেন, সেই শঙ্কা-আশঙ্কাগুলো মিথ্যা প্রমাণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকার। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এমন বৃহত্তম ও সুপরিকল্পিত ত্রাণ কার্যক্রমের কারণে দেশের একজন মাসুষও আল্লাহর রহমতে অনাহারে মৃত্যুবরণ করেনি।
করোনা ভাইরাস খুব সহসা পৃথিবী থেকে যাবে বলে মনে হচ্ছে না জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন মাসের পর মাস বন্ধ করে একটি দেশ চলতে পারে না। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মাসের পর মাস বন্ধ রেখে কোনো দেশ ঠিকে থাকতে পারে না। সেই কারণে উন্নত দেশগুলোতেও আস্তে আস্তে নানা কর্মকাণ্ড শুরু করা হয়েছে, মানুষ কাজে ফিরে গেছে। আমাদেরও ধীরে ধীরে সেই কাজটি করতে হবে। তবে মাথায় রাখতে হবে সেই কাজটি করতে গিয়ে আমরা যেন আবার জনসমাগম না করি এবং শারীরিক দূরত্বটা বজায় রাখি।
‘কর্মকাণ্ড শুরু হলেও আমাদের অবশ্যই সচেতন থেকে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজকর্ম করতে হবে। না হয় আমরা নিজেদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা দিতে পারবো না। মনে রাখতে হবে আমার সুরক্ষা আমার হাতে, বলেন মন্ত্রী।
আ. লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সারাদেশে প্রায় এক কোটি বিশ লাখ মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা, সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিরা প্রত্যেকটি উপজেলায় ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে ছুটি শুরু হওয়ার প্রথম সপ্তাহ থেকে আমার নির্বাচনী এলাকা রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ও বোয়ালখালি আংশিক এলাকায় আমার পারিবারিক প্রতিষ্ঠান এনএনকে ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করা হয়। ঈদের আগেরদিন পর্যন্ত খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি বিরাজমান থাকলে সেটি অব্যাহত থাকবে। সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে রাঙ্গুনিয়ার ৬০ হাজারের বেশি মানুষের পরিবারে ত্রাণ পৌঁছে গেছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমার আহ্বানে দলের নেতাকর্মীরাও অসহায় ও কর্মহীনদের ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন। এটি একটি অভাবনীয় ব্যাপার। আল্লাহর রহমতে রাঙ্গুনিয়ায় কোনো হাহাকার নেই। অনেকে একাধিকবারও ত্রাণ পেয়েছেন।
খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, করোনা ভাইরাসের মধ্যে খেলাধুলা বন্ধ থাকায় খেলাধুলার ওপর নির্ভর করে যাদের জীবিকা চলে তারাও অনেকটা কর্মহীন হয়ে পড়েছে। করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকার জন্য শরীরচর্চাও অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটা ব্যাপার। সেটি এলাকার মানুষদের উদ্বুদ্ধ করবেন খেলোয়াড়রা। কিছুদিন পরে খেলাধুলাও আমাদের সীমিত আকারে চালু করতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ বণিক, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার, ইউপি চেয়ারম্যান ইদ্রিছ আজগর, নজরুল ইসলাম তালুকদার, ইকবাল হোসেন চৌধুরী মিল্টন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আরজু সিকদার।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D