২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৯:৪১ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৭, ২০২০
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা দুই ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার বাড়িতে মারা গেছেন। এ ঘটনায় মৃতদের সংস্পর্শে আশায় মসজিদ, দোকান সহ ১০টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার কনকসার ও নাগেরহাট এলাকায় এই লকডাউন ঘোষণা করেন উপজেলা প্রশাসন।
করোনা আক্রান্ত হয়ে নিহতরা হলেন, মো. হারুন বেপারী (৬২)। সে উপজেলার কনকসার ইউনিয়নের নাগেরহাট এলাকার আবদুল জলিল দেওয়ানের ছেলে। অন্যজন হচ্ছেন আবদুল ওহাব দেওয়ান (৬৩)। তিনি একই ইউনিয়নের কনকসার গ্রামের প্রয়াত মঙ্গল দেওয়ানের ছেলে। তারা দুজনই রাজধানীর ঢাকায় বসবাস করতেন।
মঙ্গলবার উপজেলা চেয়ারম্যান ওসমান গণি তালুকদার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাবিরুল ইসলাম মৃতদের গ্রামের বাড়িতে সরেজমিনে গিয়ে এই ঘোষণা দেন।
এসময়, প্রতিবেশীদের নির্ধারিত সময়ের আগে বাড়ির বাইরে না যেতে সতর্ক করা হয় এবং লকডাউন শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবরুদ্ধদের খাদ্যসামগ্রীসহ যে কোনো সহযোগিতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন তারা।
মৃত ওহাব দেওয়ান মারা যাওয়ার আগে গ্রামে এসে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। অন্যদিকে গত রবিবার করোনায় মৃত হারুন বেপারীর লাশ গ্রামের বাড়ি নাগেরহাটে এনে গোসল দেওয়া হয় এবং সাতঘড়িয়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এ ঘটনায় যিনি গোসল করিয়েছেন এবং যারা জানাজায় অংশ নিয়েছেন তারা সবাই করোনার ঝুঁকির মধ্যে আছেন বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শামীম আহমেদ।
এ বিষয়ে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কাবিরুল ইসলাম খান জানান, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী আব্দুল ওহাব দেওয়ান গত শুক্রবার লৌহজংয়ের গ্রামের বাড়ি এসে দরিদ্র ও আত্মীয়দের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে ওই দিনই ঢাকায় ফিরে যান। ঢাকায় গিয়ে তিনি জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভুগে গত সোমবার সকালে মারা যান। ওইদিন ঢাকার বাসায় এসে মরদেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ওহাবের দেহে করোনাভাইরাসের পজিটিভ রিপোর্ট দেয় আইইডিসিআর। করোনায় ওহাবের মৃত্যুতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
তিনি আরো জানান, করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যুর ঘটনার প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন মৃত ওহাব দেওয়ানের কনকসারের সাত প্রতিবেশীর বাড়ি এবং মৃত হারুন বেপারীর নাগেরহাটের তিন প্রতিবেশীর বাড়ি। এছাড়া যিনি মৃত হারুনকে গোসল করিয়েছেন সে, উনি যেই দোকানে থাকেন ওই দোকান এবং যেই মসজিদে নামাজ আদায় করতেন সেই মসজিদটি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে ।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D