১৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৮:০৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৮, ২০২৬
বিদেশে যাওয়ার জন্য টাকা দাবি করে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর এবং পরে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে রাস্তায় ফেলে দিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। আলোচিত এ স্বামী রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।
গুরুতর আহত অবস্থায় অসহায় স্ত্রীকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অভিযুক্ত শিক্ষক বিদ্যুৎ কুমার দত্ত (৪০) রাজধানীর প্রাইম ইউনিভার্সিটির শিক্ষক। তিনি কুষ্টিয়া শহরের আমলাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। ভুক্তভোগী শিউলি রানী রায় (৩২) কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার নিরোধ কুমার রায়ের মেয়ে।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাংবাদিকদের কাছে নিজের ওপর চালানো নির্যাতনের বর্ণনা দেন শিউলি। এ সময় তার শিওরের পাশে পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
শিউলির ভাষ্য, সাত বছর আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। এরপর থেকে রাজধানীর মিরপুরের মাজার রোড এলাকায় সংসার করলেও শুরু থেকেই চলে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের নানা ধরনের মানসিক নির্যাতন। সম্প্রতি স্বামীর বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে পারিবারিক অশান্তি চরমে পৌঁছে।
তার অভিযোগ, বিদেশে যাওয়ার জন্য স্বামী বারবার তার পরিবারের কাছে টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে গত ১২ জুলাই রাতে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিদ্যুৎ কুমার দত্ত রুটি বেলার বেলন দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন স্ত্রীকে। এতে মাথা, মুখমণ্ডল, হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয় এবং ডান চোখেও আঘাত লাগে।
শিউলি আরও জানান, মারধরের পর বাবার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে তাকে মোটরসাইকেলে জোর করে তুলে কুষ্টিয়ার উদ্দেশে রওনা হন তার স্বামী। কিন্তু আশুলিয়ার নবীনগর গলফ ক্লাব এলাকায় পৌঁছে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে সড়কের উপর তাকে ফেলে রেখে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে তাকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগীর ভাই শুভ রায় বলেন, আমার বোনকে নির্মমভাবে নির্যাতনের পর পরিকল্পিতভাবে রাস্তায় ফেলে রেখে গেছেন তার স্বামী। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি আদালতে মামলার প্রস্তুতিও চলছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক বিদ্যুৎ কুমার দত্তের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইল ফোন রিসিভ না করায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D