২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১২, ২০১৯
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ তো তারাই করেছে। প্রতিটি নির্বাচন নিয়ে তারা খেলা খেলেছে। দশটা হুন্ডা, ২০টা গুণ্ডা- নির্বাচন ঠাণ্ডা। আগে এটাই ছিল নির্বাচনের পরিবেশ। সে ধরনের কোনো ঘটনা একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ঘটেনি।
সোমবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাব এবং প্রথম অধিবেশনের সমাপনী বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে এসেছিল। কিন্তু পছন্দমতো সংখ্যায় আসন পায়নি। তবে সবার উদ্দেশ্যে আমি জানাতে চাই যে, ২০০৮ সালের নির্বাচনে শতকরা ৮৪ ভাগ ভোট পড়েছিল। ২০১৮ সালে পড়েছিল ৮০ ভাগ। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত মাত্র ২৮টি আসন পেয়েছিল। এবারের নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্ট যাকে (ড. কামাল) প্রধান করেছে তিনি নির্বাচন করেননি। বিএনপির প্রধান দুই জনের মধ্যে একজন এতিমের টাকা আত্মসাতের কারণে কারাগারে, আরেকজন খুন-দুর্নীতির দণ্ডিত পলাতক আসামি। যে দলের চেয়ারপারসন একজন কারাগারে, অন্যজন দেশান্তরী- জনগণ কী দেখে তাদের ভোট দেবে? নির্বাচনের সময় জনগণকে তারা দেখাতে পারেনি নির্বাচিত হলে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, কে দেশ চালাবেন। এ কারণে জনগণ আওয়ামী লীগকে বেছে নিয়েছে, তাদের ভোট দেয়নি।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের সময় বিএনপি মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে। কোনো কোনো আসনে নির্বাচনের দু’দিন আগেও তারা মনোনয়ন পরিবর্তন করেছে। বিএনপির যেসব ভোটব্যাংক, তারাও তো ভোট দিতে পারেননি। কারণ তারা দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন।’
শেখ হাসিনা প্রশ্ন রেখে বলেন, ’৭৫-পরবর্তী নির্বাচন কিভাবে হয়েছে? খুনি জিয়াউর রহমান একাধারে সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি হলেন।
বিএনপি তথা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংসদে আসার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। জনগণের ভোটের প্রতি সম্মান জানিয়ে সংসদে এসে যা বলার কথা বলুন, আমরা কোনো বাধা দেব না।’
সুলতান মোহাম্মদ মনসুরকে শপথ নিয়ে সংসদে আসার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যদের অনেকে সেনাপ্রিয় বলেন। দেশের এমন কিছু লোক আছে দেশে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি এলেই তাদের সুবিধা হয়। তারা কোনো উন্নয়ন চোখে দেখে না। তবে তারা কে কি বলল তাতে কেয়ার করি না, আমি কেয়ার করি দেশের জনগণকে। তাদের মতো অত জ্ঞানী-গুণী না হলেও দেশকে আমরা উন্নয়ন করতে পারি তা প্রমাণ করেছি। এখন ভিক্ষা দেয়ার কোনো লোক পাওয়া যায় না।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D