১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:২৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৮
আইনি ভিত্তিতে আগামী সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার হলেও তা নিয়ে বাড়তি কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া চলবে না বলে সতর্ক করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা। কোন ত্রুটি না থাকলেই ইভিএম ব্যবহার করা হবে না বলেও জানান তিনি।
আজ শনিবার রাজধানীর নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ইভিএম নিয়ে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে সিইসি এসব কথা বলেন।
নুরুল হুদা বলেন, ‘আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। যদি আইনগত ভিত্তি পায় তখনই ইভিএম চালু করা করা হবে। ইভিএম আছে সেটা যদি ব্যবহার উপযোগী হয়, ত্রুটি না থাকে তবে তখনই এর ব্যবহার হবে।’
তিনি বলেন, ‘ইভিএম অতিরিক্তভাবে চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। যতটুকু নিখুঁতভাবে ব্যবহার করা যাবে ততটুকুই ইভিএম ব্যবহার করা হবে।’
নূরুল হুদা জানান, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ইভিএম কেনা ও সংরক্ষণের প্রকল্প চলতি মাসে একনেকের অনুমোদন পেয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় এই ভোটে ইভিএম ব্যবহারে নির্বাচনী আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধনের লক্ষ্যে প্রস্তাব এবং এই প্রকল্পটিও অনুমোদনের জন্য সরকারের কাছে পাঠিয়েছে সাংবিধানিক সংস্থাটি।’
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে হলেও অধিকাংশ রাজনৈতিক দল সংসদ নির্বাচনে এখনও যন্ত্রে ভোটগ্রহণের বিরোধিতা করছে। ইভিএমের ঘোরবিরোধী বিএনপি দাবি করেছে, প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকায় ইভিএম কেনার এই প্রকল্পে লুটপাট হবে। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি এক সভায় ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে ধীরে চলার কথা বলেন।
নির্বাচর্নী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের ওই অনুষ্ঠানে সিইসি বলেন, ‘ইভিএম নিয়ে কথা হয়েছে। ইভিএম নিয়ে মানুষের মধ্যে সন্দেহ থাকবে, প্রশ্ন থাকবে। ভোট মানুষের একটি পবিত্র আমানত। সেটা কোথায় দিলো, কীভাবে দিলো, সঠিকভাবে দিল কিনা সেটা জানার আগ্রহ থাকবে না- এটা হতেই পারে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সেটা কীভাবে ব্যবহার করে, সেই জ্ঞান যদি না থাকে তাহলে তাদের মধ্যে প্রশ্ন থেকেই যাবে। আমাদের প্রয়োজন হবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ইভিএম কি, এর কি উপকারিতা সেটা আপনাদের (নির্বাচনী কর্মকর্তা) মাধ্যমে দেশব্যাপী প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে।’
সিইসি বলেন, ‘ইভিএম ব্যবহার নিয়ে নির্বাচন কমিশনের একটা স্বপ্ন আছে। ম্যানুয়াল ভোটিংয়ে কত রকমের অসুবিধা আপনারা জানেন। ২৫-৩০ রকমের ফরম এনভেলপ ছাপাতে হয়। তবে ইভিএম হলে ১০-১৫ মিনেটের মধ্যে রেজাল্ট পাওয়া যায়। একজনের ভোট, আরেকজন দিতে পারে না। রাতে ব্যালট বক্স পাহারা দিতে হয় না। ইভিএম হলে কী কী উপকার হবে, কী কী হবে, কী কী হবে না। এগুলো মানুষকে জানাতে হবে। যখন ভোটার জানবে তখনই শুধু তারা এর ওপর আস্থা রাখবে।’
নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ইসি সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোখলেছুর রহমান ও পরিচালক (প্রশিক্ষণ) বেলায়েত হোসেন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D