৪ঠা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:০৩ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৮
সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলায় ওয়াজ মাহফিল বন্ধ করা নিয়ে সুন্নি গ্রুপ ও ওহাবি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন আরো অন্তত অর্ধশতাধিক লোক।
সোমবার রাত ১২টার দিকে জৈন্তাপুর উপজেলার ৪নং-বাংলাবাজার আমবাড়ি এলাকায় এ সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ চলে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত।
নিহত মোজাম্মিল হোসেন (২৫) হরিপুর মাদ্রাসার দাওয়ারা হাফসির শেষ বর্ষের ছাত্র। তার বাড়ি গোয়াইনঘাট উপজেলার ডৌবাড়ি এলাকায়। আরেকজনের পরিচয় তাৎক্ষণিক পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমবাড়ি এলাকায় একটি ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করে ওহাবিরা। এ সংবাদ পেয়ে সুন্নি সম্প্রদায়ের লোকেরা সেই ওয়াজ মাফিল বন্ধ করতে সরেজমিনে গেলে তাদের উভয় গ্রুপের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
একপর্যায় তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে এদিক-ওদিক ছুটাছুটি করতে থাকেন ওয়াজ মাহফিলে থাকা শত শত মুসল্লিরা।
প্রথম দফা সংঘর্ষে ওহাবি গ্রুপ সুন্নি সম্প্রদায়ের মুসল্লিদের মারপিট করে তাড়িযে দেয়। এসময় ঘটনাস্থলে নিহত হন সুন্নি গ্রুপের মুসল্লি হরিপুর মাদ্রাসার ছাত্র মোজাম্মিল হোসেন। পরে ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর আরও একজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত অর্ধশতাধিক। তাদের সেখানেই ভর্তি করা হয়েছে।
পরে এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে দ্বিতীয় দফায় হামলা চালায় সুন্নি সম্প্রদায়ের মুসল্লিরা। তখন ওহাবি গ্রুপের লোকেরা প্রাণ বাঁচাতে স্থানীয় এলাকার বিভিন্নবাসা বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিলে সুন্নি মুসল্লিরা বাসা বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় সুন্নিপন্থিরা চারটি গ্রাম জ্বালাও পোড়াও, ভাংচুর চালায়। এসংঘর্ষ মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত চলে।
পরে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় এলাকার চেয়ারম্যান ও মাতব্বরদের সহযোগীতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি ময়নুল জাকির জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি র্যাব, সদস্যরা টহল দিচ্ছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যমতে, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে।
সিলেটের পাথর কোয়ারিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪
সিলেট: সিলেট জেলার কোম্পানিগঞ্জ উপজেলায় পাথর কোয়ারিতে মাটিচাপা পড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪ হয়েছে। রবিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার ভোলাগঞ্জের হাজিরডেগনার সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আরও কয়েকটি লাশ মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ওই পাথর কোয়ারির মালিক উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলী আমজাদ। এছাড়া কালা মিয়াসহ আরও বেশ কয়েজন ব্যবসায়িক পার্টনার ওই কোয়ারির সাথে সম্পৃক্ত।
রবিবার রাতেই দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে আরও ২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন, সুনামগঞ্জের মুরাদপুরের মতিউর রহমান (৩০) রুহুল মিয়া (২২), ছলেরবন গ্রামের আশিক আলী (৩০), জামালগঞ্জের কলকটা গ্রামের আতাবুর রহমান (৩০)।
সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সামসুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানায়, কালাইরাগ কোয়ারিতে অবৈধভাবে গর্ত করে দীর্ঘদিন ধরে পাথর উত্তোলন করে আসছে। রাতের আঁধারে জেনারেটর চালিয়ে প্রভাবশালীরা পাথর উত্তোলন করে। কোয়ারি এলাকায় ৪০/৫০ ফুট গভীর গর্ত করে শ্রমিকরা ঝুঁকি নিয়ে পাথর উত্তোলনকালে গর্তের পাড় ধসে পড়ে। এতে বেশ কয়েকজন শ্রমিক মাটিচাপা পড়েন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) দিলিপ নাথ জানান, কোয়ারি খুড়ে পাথর উত্তোলন করার সময় কোয়ারি ধসে চারজন নিহত হয়েছেন। রাতে দুইজন এবং আজ আরও দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি আরো জানান উদ্ধার কাজ এখনো চলছে।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D