খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দিয়েছে সিলেট বিএনপি

প্রকাশিত: ৫:৩৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৮

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দিয়েছে সিলেট বিএনপি

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, রোববার : বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে তৃতীয় দফা কর্মসূচি হিসাবে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে সিলেট জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর করেছে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি। এসময় সিলেট জেলা প্রশাসক মোঃ রাহাত আনোয়ার স্মারকলিপি গ্রহণ করেন। একই সাথে সারাদেশে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচী পালন করছে বিএনপি।

আজ (রবিবার) দুপুর ১২টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ স্মারকলিপি জমা দেন সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ সাখাওয়াত হাসান জীবন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডাঃ শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী, জেলা সহ-সভাপতি এডভোকেট আব্দুল গফফার, সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান, কামরুল হুদা জায়গীরদার, মহানগর বিএনপি’র সহ-সভাপতি সালেহ আহমদ খসরু, এডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব, কানাইনঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আশিক আহমদ চৌধুরী, কাউন্সিলার ফরহাদ চৌধুরী শামীম, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েছ লোদী,গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল হাকিম চৌধুরীর, বালাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদাল মিয়া, জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ইকবাল আহমদ, জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি এ কে এম তারক কালাম, জেলা প্রথম যুগ্ম-সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, মহানগর প্রথম যুগ্ম-সম্পাদক আজমল বক্ত চৌধুরী সাদেক, সিলেট জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন, জেলা যুগ্ম-সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব, ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ খান জামাল, শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি মাশুক আহমদ, যুবদল নেতা নজিবুর রহমান নজিব, মহানগর বিএনপির দফতর সম্পাদক সৈয়দ রেজাউল করিম আলো, জেলা দফতর সম্পাদক এডভোকেট ফখরুল হক, প্রচার সম্পাদক নিজাম ইউ জায়গীরদার, মহানগর প্রচার সম্পাদক শামীম মজুমদার, প্রকাশনা সম্পাদক এডভোকেট আল আসলাম মুমিন, ক্রীড়া সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মানিক, যুব বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মাহবুবুল হক চৌধুরী,শফিকুর রহমান টুটুল, কামরুজ্জামান দিপু, জেলা বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক এম এ মালেক, দিদার ইবনে তাহের লশকর, মহানগর সহ-দফতর সম্পাদক লুকমান আহমদ, জেলা সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মালেক, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুল ওয়াহিদ সোহেল, জেলা ও মহানগর বিএনপি নেতা চৌধুরী মোহাম্মদ সোহেল,আব্দুর রহমান, মকলিছ খান, কাজি নইমুল আলম, আলী হায়দার মজনু, যুবদল নেতা সাহেদ আহমদ, সামছুল ইসলাম টিটু, জহুরুল ইসলাম রাসেল, আলী আকবর রাজন, মিফতাহ উদ্দিন, আবিদ নূর’সহ বিএনপির অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতকার্মীরা।

বিএনপির স্মারকলিপিতে কি আছে?
জাল নথির ওপর ভিত্তি করে সাজানো মামলায় প্রতিহিংসামূলক বিচারে বিএনপি চেয়ারপারসন ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়ে কারাগারে বন্দি করা হয়েছে। বানোয়াট মামলায় বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে সাজা প্রদান সম্পূর্ণরূপে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন। তাই তার বিরুদ্ধে ঘোষিত রায়টিও প্রহসনমূলক ও বিস্ময়কর। কারণ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের টাকা তছরুপের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। বেগম জিয়ার কোথাও কোনো স্বাক্ষর নেই। কোথাও তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে কয়েকদিন আগে থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত দেশব্যাপী বিএনপি নেতাকর্মীদের ধরপাকড় ও জুলুম অব্যাহত আছে। বিএনপির শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সরকারের আচরণই বলে দেয় তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত দূরভিসন্ধিমূলক রায়টি পেয়ে গেছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট