১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭:২২ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩, ২০১৭
আঙ্কারা : যুগান্তকারী এক সফরে আগামী সপ্তাহে গ্রিস যাচ্ছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। ৬৫ বছরের মধ্য প্রথম তুর্কি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তিনি দেশটিতে সফরে যাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এর আগে চলতি সপ্তাহে তুর্কি ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী হাকান কাভোসুগলো জানিয়েছিলেন যে, গ্রিস সফরের জন্য ৭-৮ ডিসেম্বর দিন নির্ধারিত করা হয়েছে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২০০৪ এবং ২০১০ সালে গ্রিস সফর করেন এরদোগান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বানালি ইলদিরিম গত জুন মাসে দেশটি সফর করেন। তবে, ১৯৫২ সালের পর তুরস্কের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে কেউ সফরে যাননি। ওই সময় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সেলাল বায়ার দেশটি সফর করেন।
গত শতাব্দীর বেশির ভাগজুড়েই ভূমধ্যসাগরীয় এই দুই প্রতিবেশির মধ্যে তিক্ততাপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজ করেছে।
তবে, ১৯৯০ সালে ভূমিকম্পের পর গ্রীসে মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেয়া নিয়ে দেশটির সঙ্গে তুরস্কের আলোচনার পর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করে।
কিন্তু সাম্প্রতিককালে পশ্চিমা ও তাদের ন্যাটো মিত্রদের কাছ থেকে এরদোগান দূরে সরে যাওয়ায় ইউরোপ এবং আমেরিকার সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস
ভার্চুয়াল কোর্টের মাধ্যমে তুরস্কের নিন্দা করা যাবে না: এরদোগান
ভার্চুয়াল কোর্টের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তুরস্কের নিন্দা করতে পারে না বলে দেশটির কড়া সমালোচনা করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান।
ইরানের উপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানোর পরিকল্পনার অভিযোগে নিউইয়র্কে তুর্কি-ইরানি ব্যবসায়ী রেজা জাররাবের বিচারের বিষয়ে শনিবার এরদোগান এই মন্তব্য করেন।
এরদোগান বলেন, ‘জালিয়াতি প্রতিনিধিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ভার্চুয়াল কোর্টের মাধ্যমে আমার দেশের নিন্দা করা যাবে না।’
তিনি বলেন, ‘মার্কিন আদালত আমার দেশকে নিয়ে নাক গলাতে পারে না।’
রয়টার্স জানায়, তুরস্কের সরকারকে প্রভাবিত করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে স্বর্ণ ব্যবসায়ী রেজা জাররাবের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টার কড়া সমালোচনা করেন এরদোগান।
ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা এড়াতে এরদোগানসহ তুর্কি শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদদের জড়িয়ে সাক্ষ্য দেন জাররাব।
বৃহস্পতিবার জাররাব বলেন যে, এরদোগান যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তখন তিনি ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার প্রচারণার জন্য কয়েকটি তুর্কি ব্যাংককে অনুমতি দিয়েছিল।
গত মাসে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছিল যে তুরস্ক ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিনের সম্পর্কের বিস্তারিত জানার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিকিউটররা জাররাবকে চাপ প্রয়োগ করছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক তুর্কি ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লাহ গুলেনের প্রত্যার্পণ নিশ্চিত করার জন্য মাইকেল ফ্লিনকে ১৫ মিলিয়ন ডলার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল কিনা সে বিষয়টি বিশেষ করে খতিয়ে দেখছেন মার্কিন তদন্তকারীরা।
২০১৬ সালের তুরস্কে অভ্যুত্থানের চেষ্টার মাস্টারমাইন হিসেবে এরদোগান গুলেনকে অভিযুক্ত করে আসছেন।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D