নরসিংদীতে নারী শ্রমিক ধর্ষণের শিকার, গ্রেপ্তার ১

প্রকাশিত: ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ, জুন ৫, ২০২৬

নরসিংদীতে নারী শ্রমিক ধর্ষণের শিকার, গ্রেপ্তার ১

নরসিংদীর মাধবদীতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে টেক্সটাইল মিলের এক নারী শ্রমিক (১৬) ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাতে সদর উপজেলার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের পৌলানপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এঘটনায় মাহাবুব নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আর ভুক্তভোগীর পিতা বাদি হয়ে দুই জনকে আসামী করে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মাধবদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারকৃত মাহাবুব মেহেরপাড়া ইউনিয়নের পৌলানপুর গ্রামের আব্দুল কাদিরের পুত্র এবং পলাতক মোশাররফ মিয়া একই গ্রামের মোতালিব মেম্বারের পুত্র।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মেহেরপাড়া ইউনিয়নের ˆচতাব এলাকার বান্দব টেক্সটাইল মিলে শ্রমিকের কাজ করতেন ধর্ষিতা ওই কিশোরী। বুধবার রাত সাড়ে দশটার দিকে ভুক্তভোগী টেক্সটাইল মিল থেকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে পৌলানপুর এলাকার বাসিন্দা মোশারফ কথা আছে বলে ফুসঁলিয়ে পার্শ্ববর্তী মাহাবুবদের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে মোশাররফ ও মাহাবুব তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় তার ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন দৌঁড়ে ঘটনাস্থলে আসলে সুযোগ বুঝে মোশাররফ পালিয়ে গেলেও মাহাবুবকে জনতা আটক করে পুলিশের নিকেট সোপর্দ করে।

এ ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা বাদি হয়ে দুই জনকে আসামী করে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মাধবদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

ভুক্তভোগী ওই কিশোরী বলেন, তারা আমাকে ধর্ষণের পর মোবাইল রেখে টাকা দিতে বলে। পরে আমি বাড়ি থেকে দুই হাজার টাকা নিয়ে তাদেরকে দিয়ে মোবাইল নিয়ে আসি। এসময় তারা আমাকে হুমকি দিয়ে বলে সব ভিডিও করা আছে, কাউকে বললে ভাইরাল করে দিবে। আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

স্থানীয়রা জানায়, মোশারফ ও মাহাবুব এলাকায় নেশাগ্রস্থ হিসেবে পরিচিত। তাদের একটি চক্র নেশার টাকা যোগারের জন্য রাতে এলাকায় ছিনতাই ও চুরি করে বেড়ায়। বাবুরহাট বাজারে কেনাকাটা করতে এসে ভোরে ব্যবসায়ীরা এই এলাকায় নামলে তাদের এই চক্রের সদস্যদের ধারা ছিনতাইয়ের কবলে পড়তে হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ফ্যাক্টরির মালামাল চুরির সাথেও তারা জড়িত।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযুক্ত মাহাবুবকে গ্রেপ্তার করেছে এবং মোশাররফকে গ্রেপ্তারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট