সিলেটে অপহরণ ও মুক্তিপণ চক্রের ১০ সদস্য গ্রেপ্তার, অপহৃত ২ যুবক উদ্ধার

প্রকাশিত: ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ৯, ২০২৬

সিলেটে অপহরণ ও মুক্তিপণ চক্রের ১০ সদস্য গ্রেপ্তার, অপহৃত ২ যুবক উদ্ধার

সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানার তাৎক্ষণিক অভিযানে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়কারী একটি চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে অপহৃত দুই ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনায় ব্যবহৃত বিভিন্ন অস্ত্রও জব্দ করা হয়েছে।

রোববার (৮ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন তাঁতিপাড়া পয়েন্ট থেকে সুহেল সরকার (২২) নামে এক যুবককে ১৪/১৫ জন দুর্বৃত্ত জোরপূর্বক অপহরণ করে। পরে তাকে তাঁতিপাড়ার নাজমা নিবাস নামক ৫৬ নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলায় অবৈধভাবে আটকে রাখা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, অপহরণকারীরা ধারালো চাকু ও কাঁচি দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং লোহার রড ও স্টিক দিয়ে মারধর করে সুহেল সরকারের কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এক পর্যায়ে তার কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয় এবং ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেয়। এছাড়া তাকে জোরপূর্বক কাপড় খুলে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।

পরে ভিকটিম বিষয়টি পুলিশকে জানালে কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকিরের নির্দেশনায় বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শহিদুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে তাঁতিপাড়ার নাজমা নিবাসের দ্বিতীয় তলা থেকে সুহেল সরকারের দেখানো মতে ১০ জনকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলো তানজিম মাহবুব নিশান (২১), আহসান হাবিব মুন্না (১৯), জুবাইন আহমদ (১৯), সুফিয়ান আহমদ (১৯), জাকির হোসেন (১৯), মারজান (১৯), মোসাদ্দেক আলী (১৮), ফারদিন আহমদ (১৮), জয়নাল আবেদীন রাব্বি (১৮) ও মিজান আহমদ (১৮)।

অভিযানের সময় তাদের হেফাজত থেকে আরও এক ভিকটিম প্রবাসী জাহিদ আহমদ (৪২) কে উদ্ধার করা হয়। এছাড়া দুই ভিকটিমের দুটি মোবাইল ফোন, নগদ টাকা এবং ঘটনায় ব্যবহৃত কাঁচি, চাকু ও লোহার রুল উদ্ধার করা হয়েছে।

এ তথ্যটি নিশ্চিত করে এডিসি মিডিয়া মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন ।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট