২০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:০০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
বিশ্বের অন্যতম উন্নত দেশ যুক্তরাজ্যে দারিদ্র্য আরও গভীর হয়েছে। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় ৬৮ লাখ মানুষ অতিদরিদ্রতার মধ্যে বসবাস করছেন, যা গত তিন দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। জোসেফ রাউনট্রি ফাউন্ডেশন (জেআরএফ) মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। তারা জানায়, যুক্তরাজ্যে যেসব মানুষ অতিদরিদ্র, তাদের মধ্যে বাংলাদেশি ও পাকিস্তানিদের অতিদরিদ্রতার হার বেশি। খবর রয়টার্সের।
ব্রিটেনে ‘অতিদরিদ্র’ বলতে বোঝায় এমন পরিবারকে, যাদের বাড়িভাড়া দেওয়ার পর হাতে থাকা টাকা ব্রিটেনের জাতীয় গড় আয়ের তুলনায় অনেক কম। যেমন—দুই সন্তানসহ একটি পরিবারের সারা বছরের আয় যদি ১৬ হাজার ৪০০ পাউন্ডের নিচে হয়, তবে তারা এই অতিদরিদ্র শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। যার অর্থ ব্রিটেনে বসবাসরত বেশিরভাগ বাংলাদেশি পরিবারের আয় দেশটির গড় আয়ের তুলনায় কম।
যুক্তরাজ্যে দরিদ্রতা অবসানের লক্ষ্য নিয়ে গবেষণা করে জোসেফ রাউনট্রি ফাউন্ডেশন। তারা জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যে দরিদ্রতা কমানোর উদ্দেশ্যে তারা এ গবেষণা চালিয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, দেশটিতে সামগ্রিক দরিদ্রতার হার কমেছে। যেখানে ১৯৯৪-৯৫ সালে দরিদ্রতার হার ছিল ২৪ শতাংশ। সেখানে ২০২৩-২৪ সালে এসে এটি ২১ শতাংশে নেমে এসেছে। কিন্তু অতিদরিদ্রতার হার ৮ থেকে বেড়ে ১০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
এ ছাড়া শিশু দরিদ্রতার হারও বেড়েছে। বর্তমানে প্রায় ৪৫ লাখ শিশু দরিদ্রতার মধ্যে বড় হচ্ছে। গত তিন বছর টানা দরিদ্র শিশুর সংখ্যা বেড়েছে।
২০১৭ সালে ব্রিটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, নিম্ন আয়ের যেসব পরিবার দুই সন্তানের বেশি সন্তান নেবে, তারা সরকারি সামাজিক সুরক্ষা সহায়তা পাবে না। তবে গত এপ্রিলে এই নিয়ম বাতিল করেন বর্তমান অর্থমন্ত্রী রাখায়েল রিভিস। জোসেফ রাউনট্রি ফাউন্ডেশন সরকারের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেছে। তবে শুধু এটিই শিশু দরিদ্রতা কমাবে না বলে সতর্ক করেছে তারা।
সংস্থাটি বলেছে, দরিদ্রতার সবচেয়ে বড় শিকার শিশুরা। এরপর রয়েছেন শারীরিক প্রতিবন্ধীরা। অন্যদিকে, নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মধ্যে ব্রিটেনে বসবাসরত বাংলাদেশি ও পাকিস্তানিদের মধ্যে দরিদ্রতার হার খুবই বেশি।
জোসেফ রাউনট্রির মতে, সরকার যদি শিশু দরিদ্রতা অবসানে আরও কিছু কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তাহলে এ খাতে অগ্রগতি থমকে যেতে পারে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশেষ করে শিশুদের ওপর দারিদ্র্যের প্রভাব অনেক বেশি। একই সঙ্গে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও দারিদ্র্যের প্রভাবের মুখোমুখি হন।

EDITOR & PUBLISHER :
DR. ARIF AHMED MOMTAZ RIFA
MOBILE : 01715110022
PHONE : 0821 716229
OFFICE : SHUVECHCHA-191
MIAH FAZIL CHIST R/A
AMBAKHANA WEST
SYLHET-3100
(Beside Miah Fazil Chist Jame Masjid & opposite to Rainbow Guest House).
E-mail : sylhetsangbad24@gmail.com
Hello : 01710-809595
Design and developed by M-W-D