সিলেটে ‘বনফুল, ফিজা ও মধুবন’সহ ৭টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

প্রকাশিত: ৭:৩২ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫

সিলেটে ‘বনফুল, ফিজা ও মধুবন’সহ ৭টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

পরিবেশগত ছাড়পত্র, নবায়ন ব্যতীত এবং পরিবেশগত ছাড়পত্রের শর্তভঙ্গ করে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) এর ০৭ ধারার আলোকে সিলেট সদর উপজেলার খাদিমনগর বিসিক শিল্পনগরীর বনফুল, ফিজা ও মধুবনসহ ৭টি বড় প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা প্রদান করা হয়েছে।

গত বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সিলেট বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. ফেরদৌস আনোয়ার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- পরিশোধিত তরল বর্জ্যের মান গ্রহণযোগ্য মানমাত্রার বাইরে পাওয়ার অপরাধে সিলেট সদর উপজেলার খাদিমনগর বিসিক শিল্পনগরীর বনফুল এন্ড কোং-কে ৬৪ হাজার ৩৫০ টাকা, ফিজা এন্ড কোং (প্রাঃ)-কে ৩৫ হাজার ২২৮ টাকা এবং অভিজাত মিষ্টি বিপণি মধুবনকে ১৬ হাজার ৮৭৫ টাকা।

ওইদিন একই অভিযানে- পরিশোধিত তরল বর্জ্যের মান গ্রহণযোগ্য মানমাত্রার বাইরে পাওয়ায় অপরাধে সিলেট মহানগরীর সোবহানীঘাটস্থ ইবনে সিনা হসপিটাল সিলেট লিমিটেডকে ৪৩ হাজার ৯২০ টাকা, নবায়ন বিহীন হওয়ায় হবিগঞ্জের মাধবপুর ছাতিয়াইন এলাকার জাস রটোফ্লেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে ৬০ হাজার টাকা, কেকো কেমিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং তরলবর্জ্যের PH-এর মান গ্রহণযোগ্য না থাকার ফলে মৌলভীবাজার সদরের বিসিক শিল্পনগরীর ইস্টার্ণ অ্যালায়েন্স লিমিটেডকে ৯৪৫ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সর্বমোট ৭টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩ লাখ ৭১ হাজার ৩১৮ টাকা জরিমানা করা হয়।

সিলেট বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. ফেরদৌস আনোয়ার বলেন, ‘আমরা চাই শিল্পকারখানা চলুক, কিন্তু তা অবশ্যই পরিবেশ বান্ধবভাবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়মিত ছাড়পত্র নবায়ন করতে হবে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গ্রহণযোগ্য মান বজায় রাখতে হবে। পরিবেশ রক্ষায় শিল্পমালিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। আমরা চাই তারা দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখুক।’ তিনি আরও বলেন, ‘যাদেরকে জরিমানা করা হয়েছে তারা আদেশ প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট