গোলাপগঞ্জের বাঘায় আওয়ামী লীগ সভাপতির মামলায় বিএনপি সেক্রেটারি কারাগারে

প্রকাশিত: ৬:৫৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৬, ২০২৫

গোলাপগঞ্জের বাঘায় আওয়ামী লীগ সভাপতির মামলায় বিএনপি সেক্রেটারি কারাগারে

সিলেটের গোলাপগঞ্জে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতির রোষানলে পড়ে বিএনপির ওয়ার্ড সেক্রেটারি হামলার শিকার হয়েছেন বলে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়েছে।

শনিবার (১৬ আগস্ট) মনজুর আহমদের ভাই জয়নাল আবেদীন সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।

গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা ইউপির ৯নং ওয়ার্ডের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনজুর আহমদ একই ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি আলাউদ্দিন ও তার ছেলে তাজ উদ্দিনের সাথে রাজনৈতিক বিরোধ দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি তা ব্যাপক আকার ধারণ করে।

সংবাদ সম্মেলনে বল হয়, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও তার ছেলে মনজুর আহমদের বাড়িতে শতাধিক লোকজন নিয়ে জোরপূর্বক দখল করতে গেলে তাদের আক্রমনে মনজুর আহমদসহ তার পরিবারের লোকেরা গুরম্নতর আহত হয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা নিয়েছেন। হামলাকারীরা তাদের বাড়ি ও মুদি দোকান লুটপাট করে ৪৯ লক্ষ ৬০ হাজার টাকার মালামাল, নগদ টাকা, সোনা গয়না নিয়ে যায়। একই সাথে ৩৩ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে। পুলিশ মামলা নিলেও আসামীদের বিরম্নদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয় নি। উপরন্তু আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতির ছেলে তাজ উদ্দিনের মিথ্যা মামলায় আহত বিএনপির সেক্রেটারি মনজুর ও তার ভাই গুরম্নতর আহত খলিল কারাগারে রয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জয়নাল আবেদীন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মনজুর আহমদের বড় ভাই ফখরুল ইসলাম ও সাদেক আহমদ।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার ছোট ভাই মনজুর আলম গোলাপগঞ্জ থানাধীন ১নং বাঘা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন ও তাহার ছেলে সন্ত্রাসী তাজ উদ্দিনের সাথে আমার ভাইয়ের রাজনৈতিক বিরোধ দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি বাড়ির সীমানার পাশে তার ক্ষেতের জমি কিনেন। এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একাধিকবার মাপজোখ করে সীমানা নির্ধারণ করে দিলেও তাজ উদ্দিন এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় এলাকার শালিস মুরব্বিদের দ্বারা নির্ধারণকৃত সীমানা না মেনে তিনি বাড়ির ১০ ফুট ভেতরে এসে দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক দখল করার পাঁয়তারা করে। তাজ উদ্দিনের পিতা আলা উদ্দিন ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। সৈরাচারী সরকারের আমলে আলা উদ্দিন মেম্বার ও তার পূত্ররা এলাকার মানুষকে নানাভাবে নির্যাতন নীপিড়ন করেছে। বর্তমানেও এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় তারা এলাকার নিরীহ লোকজনকে নানা ভাবে নির্যাতন করতেছে।

তাদের বিরম্নদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট