মতিউর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের এনআইডির তথ্য চেয়ে চিঠি

প্রকাশিত: ১১:১০ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৯, ২০২৪

মতিউর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের এনআইডির তথ্য চেয়ে চিঠি

ছাগলকাণ্ডে বহুল আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তা মতিউর রহমান, তার দুই স্ত্রী ও দুই সন্তানের এনআইডি এবং পাসপোর্টের তথ্য চেয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও পাসপোর্ট অফিসে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার (৯ জুলাই)  দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো ইসি ও পাসপোর্ট অফিসে পৃথকভাবে এসব চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে এনআইডি ও পাসপোর্টে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি রয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।
দুদকের একটি সূত্র জানিয়েছে, তাদের দলিল ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টসহ সব কাগজপত্রে নাম, পদবি ও পেশা যাচাই এবং আদালতে তাদের পরিচয় সুনিশ্চিত করতে অনুসন্ধান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এই চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তা চাইলে অভিযোগসংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্যসহ সব রকম তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে তেমনটাই হয়ে থাকতে পারে।
গত ঈদুল আজহার আগে মতিউর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে মুশফিকুর রহমান ১৫ লাখ টাকার ছাগল কিনতে গেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ছেলের বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনার একপর্যায়ে মতিউর ও তার পরিবারের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।

যদিও এর আগেই গত ৪ জুন দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মতিউরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। সারা দেশে তুমুল সমালোচনা শুরুর পর গত ২৩ জুন দুদকের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্ব তিন সদস্যের অনুসন্ধান টিম গঠন করে দুদক। এরপর মতিউর ও তার স্ত্রী-সন্তানের নামে থাকা অর্থ-সম্পদের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক, বিএফআইইউ, বিএসইসি, দেশের সব সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ও ভূমি অফিসে চিঠি পাঠানো হয়। দুদকের চিঠি পেয়ে বিএফআইইউ ও বিএসইসি স্বউদ্যোগে মতিউর ও তার স্ত্রী-সন্তানের নামে থাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও বিও অ্যাকাউন্টের লেনদেন বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়। দুদকে আসা তথ্যের ভিত্তিতে মতিউর ও তার পরিবারের সব সম্পদ ক্রোক করেন আদালত।

এদিকে মতিউর ও তার দুই স্ত্রী লায়লা কানিজ ও শাম্মী আখতার শিভলী, প্রথম পক্ষের বড় ছেলে তৌফিকুর রহমান অর্ণব ও মেয়ে ফারজানা রহমান ইপ্সিতার সম্পদের হিসাব চেয়ে গত ২ জুলাই নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাদের ২১ দিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এতে তাদের নিজ নিজ ও তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে থাকা যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী কমিশনে দাখিল করতে বলা হয়েছে।


 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট