সিলেট সদরের যোগির গাঁও গ্রামে ভয়াবহ নদী ভাঙ্গন

প্রকাশিত: ৭:৩৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৭, ২০২২

সিলেট সদরের যোগির গাঁও গ্রামে ভয়াবহ নদী ভাঙ্গন

সুরমা নদীর পানি কমার সাথে সাথে সিলেট সদর উপজেলার মোগলগাও ইউনিয়নের গোগির গ্রামে নদী ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। যার ফলে ইতিমধ্যে ৪টি পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে, নদী গর্ভে চলে গেছে তাদের ঘরবাড়ি।

যাদের ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে তারা হলেন মোঃ আব্দুর রুফ, মোহম্মদ আজির উদ্দিন, বাবুল মিয়া ও আব্দুল আলিম।

সিলেট সদর উপজেলার ৭ নং মোগলগাও ইউনিয়নের যোগির গাঁও গ্রামের এই নদী ভাঙ্গন দীর্ঘ ত্রিশ বছর থেকে অব্যাহত রয়েছে। যোগির গাঁও গ্রামের এই নদী ভাঙ্গন পরিদর্শন করেছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমান, পরিদর্শন করেন স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী। পরিদর্শন করে নদী ভাঙ্গন রোদে আশ্বাস দিয়ে গেলেও বাস্তবে তার কোনো ফলাফল আসেনি।

সর্বশেষ ২০২০ সালে মোগলগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ হিরন মিয়া যোগির গাঁও গ্রামে বেশ কয়েকবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোক নিয়ে মাপ যোগ করে আশ্বাস দিলেও তার পরও এখন পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি।

নদীর পাড়ে হুমকির মুখে থাকা রহিম উল্লাহ বলেন দীর্ঘ ৩০ বছর থেকে সুরমা নদীর এই ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। শুধু আশ্বাস শুনে আসছি কেউ আমাদের আশা পূরণ করছেন না, বাস্তবে রূপ দিচ্ছেন না।

গ্রামের আজির উদ্দিন বলেন এই কয়েকদিনে এখানে আমাদের ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে, এই পর্যন্ত যোগির গাও গ্রামের প্রায় ১০০টি পরিবার রাক্ষসী সুরমা নদীর ভাঙ্গনে নিঃস্ব হয়ে রাস্তায় রাস্তায় থাকছেন। আমাদেরকে রক্ষা করুন। তিনি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

এদিকে মোগলগাও ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নেছার আহমদ সম্প্রতি নদীভাঙ্গন পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন আমি এসে যা দেখলাম মোগলগাঁও ইউনিয়নের মধ্যে এটাই সুরমা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গন, এখনই এটা রোধ না করলে অনেকে চোখের সামনে নিঃস্ব হয়ে যাবে। তা ছাড়া একদম পাশে রয়েছে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক। এছাড়া রয়েছে মসজিদ, স্কুল, পেট্রলপাম্প সহ অনেক স্থাপনা।

কর্তৃপক্ষ এটা এখনই রোধ করা প্রয়োজন, নয়তো আরো অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। এতে এই পরিবারগুলো নিঃস্ব হয়ে যাবে। তাই উপজেলার চেয়ারম্যান ও মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

তিনি বলেন ইতিমধ্যে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পিএস জুয়েল আহমেদ এর সাথে কথা বলেছি, তিনি আশ্বাস দিয়েছেন তাৎক্ষণিক একটা ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।


 

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট